মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৫৪
শিরোনাম :
সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী কেদারপুরের ইউপি চেয়ারম্যান ও ফ্যাসিস্ট আ’লীগ নেতা নুর আলম বেপারী গ্রেপ্তার দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি, কোটি কোটি টাকা লোপাট

ববিতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিনকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, গত শনিবার দৈনিক জনকণ্ঠে “জামাল স্যারের ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ শিক্ষকের হাতে জিম্মি ববির ছাত্র-ভবিষ্যৎ!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও কতিপয় শিক্ষকের প্ররোচনায় ওই সংবাদটি করা হয়েছে এবং সেখানে বর্ণিত তথ্যসমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের সময় ড. জামাল উদ্দিন শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আবার সেশনজট কমানোর দোহাই দিয়ে তিনি এক সেমিস্টারে ১৫টি কোর্স ক্লাস নেন এবং অভ্যন্তরীণ নম্বর (ইন্টার্নাল মার্কস) বণ্টনে পক্ষপাতিত্ব করেন। যারা তার ‘কথা মানেন’ তাদের বেশি নম্বর দেওয়া হয় এমন অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া একাডেমিক সময়েও ব্যক্তিগত কাজে শিক্ষার্থী ব্যবহারের কথাও দাবি করা হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থী মেহেতাব হোসেন বলেন, “স্যার বেশি কোর্স নেন শিক্ষক সংকটের কারণে। স্যার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন আমাদের ক্লাস নেওয়ার। সংবাদে যেসব অপবাদ দেওয়া হয়েছে, আমরা তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। কয়েকজন শিক্ষার্থী বিভাগের ভেতর বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে। অপপ্রচারে বিভাগের সম্মানহানি হয়েছে। জনকণ্ঠকে এই মিথ্যা সংবাদ প্রত্যাহার করতে হবে।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন,আমাদের বিভাগে সিনিয়র জুনিয়রদের নিয়ে বহুদিন ধরে অপপ্রচার ও বাজে রাজনীতি চলছে। আগেও আমাদের কয়েক শিক্ষককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টার্গেট করা হয়েছে। এবার চেয়ারম্যানসহ সিনিয়র জুনিয়রদের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য ছড়ানো হয়েছে, যার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।