শনিবার, ২০শে মার্চ, ২০২৬ ইং, রাত ২:১৩
শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আ.সালাম এর পক্ষ থেকে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ঈদ উপলক্ষে পদ্মা ও যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড যুদ্ধবিরতির পরই হরমুজে নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে সহায়তা দেবে তিন দেশ সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দুমকীতে ঈদের নামাজ আদায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: দুমকীতে সাকুরাসহ ৪ পরিবহনে জরিমানা সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে চান অধ্যাপক শাহরিয়া শারমিন দুমকি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলার জমকালো উদ্বোধন পদধারী বড় নেতাদের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তায়ই কাল হয়েছে আমার তিন আরব দেশের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে ইরান ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা

তিন আরব দেশের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি জাতিসংঘ মহাসচিব এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্টের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানোর সুযোগ করে দিচ্ছে বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান।

সাঈদ ইরাভানি তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অবৈধ সামরিক আগ্রাসনের সময় কাতারসহ পার্শ্ববর্তী কিছু দেশ আক্রমণকারীদের তাদের মাটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

ইরান সরকারের পক্ষ থেকে গত ৩, ৭, ৯ এবং ১৬ মার্চ পাঠানো পূর্ববর্তী চিঠিগুলোর ধারাবাহিকতায় এই নতুন অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আক্রমণকারীদের এই ধরনের সুবিধা প্রদান একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং এর ফলে ইরানের হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির চরম লঙ্ঘন বলে ইরান দাবি করেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে আত্মরক্ষার সহজাত অধিকারের অংশ হিসেবে তারা মনে করে, যেসব সামরিক ঘাঁটি বা স্থাপনা থেকে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে বা সহায়তা করা হচ্ছে, সেগুলো বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। বেসামরিক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতি রোধে ইরান যেকোনো প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে।

চিঠিতে আরও জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে ইরান সর্বদা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েত সেই নীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেনি এবং যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। বিশেষ করে কাতারের এই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের জন্য দেশটিকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে ইরান দাবি করেছে।

সবশেষে, এই চিঠিটিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি দাপ্তরিক নথি হিসেবে প্রচার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন ইরানের দূত।