রবিবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৫৬
শিরোনাম :
আগামী মাসে চালু হচ্ছে প্রবাসী কার্ড, প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসনসহ মিলবে ১০টি সুবিধা জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, নিখোঁজ ১ গণপরিবহনে যুক্ত হচ্ছে ১৪০০ বৈদ্যুতিক বাস আমরা নতুন শাসন ব্যবস্থা চাই,গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন চাই: জামায়াত আমির ডা.শফিকুর রহমান মার্কিন সেনাদের আশ্রয়দাতাদের প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান জাতি ‘অর্ধকানা’ হলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না: শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গুম-খুন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: ইরান গৌরনদীতে একসাথে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দীঘির সিঁড়ি থেকে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল সেই কুমির

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন দীঘিতে থাকা একমাত্র কুমির ফাতেমা (৮) নামে এক শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে।

সোমবার (১ জুন) রাত ৯টার দিকে মাজার সংলগ্ন মহিলা ঘাট থেকে ওই শিশুটিকে টেনে নিয়ে যায় কুমির।

জানা গেছে, শিশু ফাতেমার মা মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি শিশু মেয়েকে নিয়ে মাজার ঘাটে কয়েকদিন আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন।

ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য চারটি নৌকা দিয়ে মাজারের খাদেমসহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দীঘিতে তল্লাশি শুরু করেছে। এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও রাত ১০টা পর্যন্ত ফাতেমাকে উদ্ধার করা যায়নি।

ঘটনার সংবাদ শুনে বাগেরহাট সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান নাসের রিকাবদার ঘটনাস্থলে থেকে উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান নাসের রিকাবদার জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করছে। ইতোমধ্যে মাজার এলাকায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে, তাদের নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য প্রাথমিক অবস্থায় চারটি নৌকা দিয়ে দীঘিতে তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার অভিযানে স্থানীয় লোকজনও সহযোগিতা করছে।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে ওই দিঘির পাড়ে একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড়ে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজন কুকুরটিকে তাড়া করলে সেটি ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের ফোরকান নামের এক নিরাপত্তারক্ষীকে আঁচড় দেওয়ার পর তিনি পা ঝাড়া দিলে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। এর পরপরই দিঘির কুমিরটি ধীর ধীরে এসে কুকুরটিকে চোয়ালে করে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়।