শুক্রবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৪:২৩
শিরোনাম :
বিএম কলেজের অশ্বিনীকুমার হলে মধ্যরাতে উত্তেজনা,সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হামলার চেষ্টা বরিশালে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ সম্পন্ন বরিশালকে নিরাপদ,পরিচ্ছন্ন ও সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে-এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আনোয়ার হোসেন বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারুণ্যের নলছিটির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী

মাদ্রাসার নির্মাণকাজে ‘অনিয়ম’, প্রকৌশলীর নামে প্রশাসনে অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট ।।বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে সাতগাঁ আজিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্মাণাধীন ভবন নিয়ে উঠেছে অনিয়মের অভিযোগ।নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ভবনের ছাদ চুইয়ে পড়ছে পানি, ছাদের রড বেরিয়ে এসেছে, দেয়ালের হাতের সামান্য আচড়েই খসে পড়ছে প্লাস্টার। এছাড়া নিম্নমানের ইট, দরজা, জানালা ও পানির ট্যাংক ব্যবহারের অভিযোগও করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

ভবনটি নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৮২ লাখ ৩৫ হাজার ১২২ টাকা।

এসব অনিয়মের জন্য বরিশাল জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী বিপ্লব কুমার বিশ্বাসকে দায়ী করে জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মাদ্রাসা সুপার মাওলানা নুরুল আমিন কালাম।

অভিযোগে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের গণস্বাক্ষরও নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

‘ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের মাত্র চার মাস। এর মধ্যেই বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে ক্লাসে। এছাড়া কাঠের যে দরজা লাগানো হয়েছে, তা অত্যন্ত নিম্নমানের। হাত দিয়ে দেয়ালে আচর দিলে খসে পড়ছে প্লাস্টার। ভবনে ৫০০ লিটার পানির ট্যাংকি বসানো হয়েছে, যা পুরোপুরি ব্যবহারের অনুপযোগী।’

নুরুল আমিন কালাম বললেন, ‘শুরু থেকেই নির্মাণকাজে অনিয়ম চলছে। জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী বিপ্লব কুমার বিশ্বাসকে বিষয়টি জানানো হলেও তিনি তা আমলে নেননি।’

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল গনি হাওলাদার বললেন, ‘ভবনে সব থেকে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া ছাদের রড বের হয়ে আসছে, ঢালাইয়ে পর্যাপ্ত সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়নি। যে কারণে ছাদের খোয়া, বালু উঠে আসছে।’

নির্মাণকাজের তদারকি নিয়েও প্রশ্ন তুলেন আবদুল গনি হাওলাদার। তিনি বলছিলেন, ‘অনিয়ম ও দুর্নীতির একটা লেভেল থাকে। মাদ্রাসার একতলা ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে তার সব কিছু ছাড়িয়ে গেছে প্রকৌশলী বিপ্লব।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকৌশলী বিপ্লব কুমার বিশ্বাস। তিনি বললেন, ‘নির্মাণকাজে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ফাইনাল বিল নিয়ে ঠিকাদারের মধ্যে একটু ঝামেলা ছিল। সেটি পাস হয়ে গিয়েছে। কাজ এখনো শেষ হয়নি। ভবনের সমস্যাগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে।’

ব‌রিশাল জেলা প‌রিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপ স‌চিব) ইম‌তিয়াজ মাহামুদ জু‌য়ে‌লের ব্যবহৃত নম্বরে একা‌ধিকবার কল করা হলেও সে‌টি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে জেলা প‌রিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেছেন, ‘অ‌ভিযো‌গের কাগজ‌টি হাতে পাইনি। তবে বিষয়‌টি আ‌মি শুনে‌ছি আমার সোর্সের মাধ্যমে। তদন্ত করা হবে এবং দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে ক‌ঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’