শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৪৪
শিরোনাম :
মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছেন ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানো সেই ফেনীর ইমাম নৈশভোজে ট্রাম্পের খাবারের মেনুতে ছিল গরুর পাঁজরের মাংসসহ বেইজিং হাঁসের রোস্ট রুপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘাত-রক্তপাত সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩৯টি মার্কিন বিমান ধ্বংস পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি,নিম্নাঞ্চল প্লাবিত পটুয়াখালীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে প্রতারণা, বিএনপি ও যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্পকে লাল গালিচায় রাজকীয় অভ্যর্থনা দিল চীন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া দায়িত্বশীল নেতৃত্বে কাউনিয়া থানায় ইতিবাচক পরিবর্তন, ওসি সনজিতের ভুমিকা প্রশংসিত!

কলাপাড়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রীজের নিচে বাঁশ বেঁধে পারাপার হচ্ছেন হাজারো মানুষ!

ডেক্সরিপোর্ট  পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় বানাতি বাজার আয়রন বীজ্রের পিলার ভেঙ্গে পড়ায় ব্রীজের নিচে বাঁশ বেঁধে চলাচল করছেন স্থানীয়রা।

ব্রীজটির লোহার এঙ্গেল মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। কংক্রিটের স্লিপার গুলো ফাঁক হয়ে গেছে। অনেক স্লিপার ভেঙে নিচে পড়ে গেছে। দশ গ্রামের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এ ব্রীজটি বর্তমানে এমন বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় পঁচিশ বছর আগে বানাতি পাড়া খালের উপর এ ব্রীজটি নির্মান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। তবে সঠিক কবে এ ব্রীজটি নির্মান হয়েছে সেটা বলতে পারছেনা কেউ। নির্মানের পরে এ ব্রীজটি সংস্কার কিংবা পুন:নির্মানে উদ্যোগ নেয়নি কেউ।

জানাগেছে,বানাতীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নয়াপাড়া দাখিল মাদ্রাসা ও জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই ব্রীজ পার হয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করে। এছাড়া লালুয়া ইউনিয়নের মাঝের হাওলা, গোলবুনিয়া, চিংগুড়িয়া, মহল্লাপাড়া, নয়াপাড়া, দশকানী, মরিচবুনিয়া, ছোনখোলা, পশরবুনিয়া ও চড়পাড়া গ্রামের মানুষের সড়ক পথে উপজেলা সদরসহ বানাতী বাজারে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এ ব্রীজটি। অথচ দীর্ঘদিনেও এটি মেরামত না করায় ব্রীজটি জরাজীর্ন অবস্থায় পরিনত হয়েছে।

যে কোন সময় ভেঙে পরতে পারে এটি। চলাচলের কোন বিকল্প উপায় না পেয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী সহ স্থানীয়রা জীবনের ঝূঁকি নিয়ে এ ব্রীজ দিয়ে চলাচল করছে। আর এতে প্রায় ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।

ছোনখোলা গ্রামের বাসিন্দা রফিক মিয়া জানান, ’যেকোন সময় ব্রীজটি ভেঙে যেতে পারে। অথচ এটি নির্মানে কেউ উদ্যোগ নিচ্ছেনা।’

লালুয়া জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার জানান, ’ব্রীজ পার হয়ে স্কুলে আসার সময় অনেক ভয় হয়। এছাড়া অনেক সময় অসাবধানতা বশত হাত থেকে কলম কিংবা বই খাতা ব্রীজের নিচে পানিতে পড়ে যায়।’

লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, ’বানাতি বাজার ব্রীজ নির্মানের লক্ষে উপজেলা পরিষদে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আমার নিজ অর্থায়নে ব্রীজে সামান্য মেরামত করা হয়েছে।’