মাসুদ পারভেজ কালিগঞ্জ অবজ্ঞা, অবহেলা আর বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে নিত্যানন্দের বাড়ি নির্মাণ ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক রাসেল। এসএসসি পরীক্ষায় এ প্লাস প্রাপ্ত নিত্যানন্দ অরফ মন্টু (৩২) কে এতো দিন রাখা হয়েছে ঘরের পিছনে, পরিত্যক্ত জায়গায়।
এভাবেই তার কেটেছে ১৮টি বছর। সে কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের রথখোলায় রঞ্জন সরদারের বড় পুত্র। বলা হচ্ছে মন্টু সরদারের মাথার সমস্যা। অথচ মন্টু বিশ্বাস এসএসসিতে এ প্লাস প্রাপ্ত ছাত্র ছিল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিত্যানন্দের বন্দি জীবনের চিত্র দেখতে যান কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক রাসেল, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউএনও নিত্যানন্দের ও তার একমাত্র বোন অনিমা সরদারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং যথাযথ চিকিৎসার দায়িত্ব নেন।
তবে, নিত্যানন্দের থাকার জন্য শুক্রবার প্রাথমিক পর্যায়ে টিনশেডের ঘর ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র প্রদানের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেনকে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।