নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ(বিএমপি)’র কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, ‘দিস ইজ দা লাস্ট চান্স’ আমরা আবাসিক হোটেলগুলোতে অনৈতিক কার্যকলাপ ১০০% নির্মূল করে ঘরে ফিরতে চাই। যারা ধর্মের কাহিনী শুনবে না; আমরা তাদের জন্য আঙুল বাঁকাতে চাই।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেড এ নগরীর আবাসিক হোটেলগুলোতে অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধে হোটেল মালিক ম্যানেজারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সচেতনতা মূলক কর্মশালায় যাবতীয় অবৈধ, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, মানব কল্যাণে অন্যতম মৌলিক চাহিদা ‘আশ্রয় দান’ যেখানে মুসাফির এসে থাকতে পারে। ভালো নিয়তে সাধ্যমত এমন জনগণের সেবা দানকারী ব্যাবসা যেমন লাভজনক তেমনি পূণ্যের। আর নিয়ত যদি খারাপ থাকে তাহলে আপনার এই ব্যবসা আপনাকে ইহকাল ও পরকালের জন্য নরক এর পাশাপাশি সামাজিকভাবে ঘৃণ্য জীবন উপহার দিবে।
দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে গর্বিত নাগরিক হিসেবে অপরাধীর ব্যপারে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা না করে যদি প্রশ্রয়ের কারণ হয়ে থাকেন, এই মানসিকতার কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। বারংবার সীমা লঙ্ঘনের দায়ে আমরা আপনাদের লাইসেন্স বাতিলের জন্য বাধ্য হবো।
শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ইতিপূর্বে মতবিনিময় সভা, ধরপাকড়ের পরেও যাঁরা শুধরাতে পারেননি ‘এনাফ ইজ এনাফ’ নগরীতে কোন প্রকার অসামাজিক, অনৈতিক, অবৈধ ব্যবসা চলবেনা। যে হোটেলগুলোতে ইতিপূর্বে নীতিহীন কর্মকাণ্ডের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন। সেখান থেকে উঠে এসে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে, সকল নীতিমালা মেনে, দেশের স্বার্থে নিরাপদ একটি ব্যবসায়ী পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে পুলিশ জনতা এক হয়ে অপরাধ দমনে কাজ করার জন্য অনুরোধ রইল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি প্রলয় চিসিম,উপ-পুলিশ কমিশনার সদর দপ্তর বিএমপি আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম-সেবা,উপ-পুলিশ কমিশনার ডিবি বিএমপি জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিকসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।