বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:০৭
শিরোনাম :
বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

করোনা উপেক্ষা করে বরিশালে সরকারী-বেসরকারী ব্যাংকে গ্রাহকদের লাইন

শামীম আহমেদ  প্রাণঘাতী কোভিড (-১৯) এর প্রাদুর্ভাব আতঙ্কের চেয়ে নিম্ন,মধ্যবিত্ত ও চাকুরীজীবী দীর্ঘ দশ গৃহ বন্দি হয়ে জীবন-যাপন করতে গিয়ে ঘড়ে হাতে থাকা অর্থ শেষ।

সেই সাথে প্রতিদিনে ছেলে-মেয়ে সহ সংসারের নিত্যপ্রয়োজণীয় অর্থ সংকটের মুখে পড়ে করোনা আতঙ্ক উপেক্ষা করে শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ বিভিন্ন সাধারন মানুষ সরকারী বে-সরকারী ব্যাংকগুলোতে অর্থ তোলার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছে।

ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনকারীদেরকে নিদিষ্ট দুরুত্ব বজায় রেখে দাঁড়াবার জণ্য মেট্রো গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারনা করা হচ্ছে।

অপরদিকে নগরীর সাধারন পরিবারের সদস্যরা অর্থ সংকটের মুখামুখির সম্মুখিন হয়ে পড়ায় সকাল থেকেই বেশ কয়েকদিন পর নগরী চিত্র পাল্টে গেছে ঘড় থেকে বেড় হয়ে আসছে নিত্য আয়ের সাধারন মানুষ। চলাচল বেড়ে গেছে প্যাডেল চালিত রিক্সা, মোটর সাইকেল সহ বিভিন্ন যান-বাহন কোন বাধাই তাদেরকে ঘড়ে আটকে রাখা যাচ্ছে না।

আজ রবিবার (৫ই) এপ্রিল সকাল থেকে সরকারী রুপালী,সোনালী,জনতা ব্যাংক সহ বিভিন্ন বে-সরকারী ব্যাংকে সরকারী প্রার্থমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ ব্যাংকে সাধারন মানুষের জমা রাখা অর্থ উত্তোলনের জন্য দুরুত্ব বজায় রেখে লাইনে দাঁড়িয়ে বেতন ও নিজস্ব আমানত রাখা টাকা উত্তোলনের জন্য লাইনে দাড়িয়ে পড়ে টাকা উত্তোলনের জন্য অপেক্ষা করছেন।

দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার কারনে গত ২৬ই মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ অঘোষিত লক ডাউনের মুখে পড়ে ঘড় বন্দি হয়ে পড়ে।

এসময় ফাকে যোকে সামান্য কিছু প্যাডেল ও ইঞ্জিনচালিত রিক্সা সহ অটো বাইক নগরীর আনাচে-কানাছে অলিগলিতে চলাচল করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের তোফের মুখে তাদের পড়তে দেখা গেছে।

সরকারীভাবে নিষেধ থাকার পরও কেন ঘড় থেকে বেড় হয়েছেন এবিষয়ে বিভিন্ন চালকদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন গাড়ি না চালালে মোরা খামু কি আর ঘড়ে থাকা ছেলে-মেয়েদের কান্নাকাটি আর ভাল লাগে না।

আমাদের এসব কথা শোনারও যদি মোগে মারে মারুক জন্ম হইছে পর থেকেই মার খাইতাছি এরকম কথা বলেন নিত্য আয়ের নিম্ন শ্রেনীর চালকরা।

অপরদিকে বে-সরকারী ব্যাংক এলাকায় বিত্তবান শ্রেনীর নাগরীকরা নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদররোডে মোটর বাইকের দীর্ঘ লাইন করে রেখে তাদের অর্থ উঠাবার জন্য ব্যাংকের ভিতর অবস্থান করতে দেখা যায়।

এছাড়া গত দশদিন মানুষ গৃহবন্দি থাকার আজ রবিবার তারা প্রশাসনের আইনকে উপেক্ষ কারে ঘড় থেকে বেড়িয়ে পড়ে।

অণ্যদিকে নগরীর বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রতিটি ব্যাংকে এধরনের মানুষের ভীড় দেখা যায় তবে কিছু সংক্ষক এলাকায় নিয়ম না মানলেও অধিকাংশ স্থানেই ব্যাংকের গ্রাহকরা গোল বিত্তের মধ্যেই দাড়িয়ে ছিল