শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:২২
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

বরিশাল সিটি মেয়রের অনুরোধে দোকান-পাঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালিক সমিতি

শামীম আহমেদ  বরিশাল নগরীর সবৃবৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকার চকবাজারের ব্যক্ষসায়ীরা আজ ১০ই মে সকল দোকান-পাঠ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বরিশাল ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।

মালিক সমিতি এমন সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দীর্ঘদেড় মাস বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারী সদস্যরা।

আজ রবিার ১০ই মে সকাল থেকে নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা চক বাজার,গ্রীজ্জা মহল্লা,ফজলুর হক এ্যাভিনিয় ও পদ্ধাবতী এলাকার শপিংমলগুলো বন্ধ থাকলেও কতিপয় রেডিমেড কাপরের দোকান খোলার চেষ্ঠা করা হলে মালিক সমিতির সদস্যদের চাপের মুখে দুপুরের পর সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হয়।

এব্যাপারে বরিশাল চক বাজার ব্যাবসায়ী মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক শেখ আঃ রহিম বলেন তারা সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহÍ অনুরোধে করোনার প্রাদুর্ভাব না যাওয়া পর্যন্ত দোকান না খোলার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এসময় তিনি বলেন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হলেও এর মাঝে দোকান-কর্মচারীদের বকেয়া যতটুকু সম্ভব তা তারা দ্রুত পরিশোধ করে দিবেন।

একই সাথে ক্রেতাদের উর্দেশ্যে সাধারন সম্পাদক বলেন আপনারা এবছরের ঈদ আনন্দ পরিত্যাগ করে এই টাকা দিয়ে নিজেদের আশে-পাশে অসহায় ও কর্মহীন মানুষদের সহযোগীতার করার জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানান।

অণ্যদিকে প্রথমে মালিক সমিতির নেয়ার সিদ্ধান্ত বিরোধীতা করে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে সাধারন দোকান-কর্মচারীরা। এসময় তারা জানান আমরা দীর্ঘ দেড়মাস যাবত কোন বেতন পাচ্ছিনা তার উপর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কর্মহীন বেকার হয়ে পড়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে এক প্রকার মানবতার জীবন যাপন করছি।

শুনেছি ত্রান দেয়া হয় কোথায় ত্রান দেয়া আমাদের দিখিয়ে বলতে পারবে প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা মেয়র সাহেব আমাদের ত্রান দিয়েছে।

আমরা নিম্ন বিত্ত পরিবারের মানুষ হওয়ার কারনে না পারি না পারি চাইতে আমাদের কেহ কিছু দেয় না। দোকান কর্মচারীরা এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জীবন রুজির মধ্যে তারা জীবনকেই করোনা থেকে বেছে থাকতেই ইচ্ছার বাহিরে গুরুত্ব দিচ্ছিন। তাই দোকান বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এটা তারা মেনে নিয়েছে।

অন্যদিকে বরিশাল নগরীর নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া ও সাধারন মানুষকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা গৃহবন্ধি করে রাখতে না পারার কারনে কাগজে-কলমে লকডাউন থাকলেও নগরীর সড়কগুলোতে রয়েছে ভিন্ন চিত্র ভেঙ্গে পড়েছে লকডাউন আইন।