শনিবার, ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৪১
শিরোনাম :
বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড সমঝোতা চুক্তি ইরানের জনগণের জন্য একটি ‘বড় বিজয়’

মাস্কই শনাক্ত করবে করোনা!

অনলাইন ডেস্ক  প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ‘মাস্কে’ মুখ ঢেকেছেন বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ। এবার কেউ মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা, তা শনাক্ত করবে সেই ‘মাস্ক’ই। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (এমআইটি) বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এক অভিনব ‘মাস্ক’ তৈরি করছেন, যাতে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির নিঃশ্বাস, হাঁচি কিংবা কাশি নিঃসৃত হলেই ফ্লুরোসেন্ট সিগন্যাল তৈরি হয়ে তা আলোকিত হয়ে উঠবে।

জিকা ও ইবোলার হুমকি সমাধানে গবেষণা করে সফল হওয়া এই বিজ্ঞানী দল করোনা শনাক্তে আগের সরঞ্জামের সঙ্গে নতুন এই প্রযুক্তি তৈরি করতে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। এটা সফল হলে করোনা শনাক্তে স্ক্রিনিংসহ তাপমাত্রা পরীক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত ত্রুটি সহজেই সমাধান করা সম্ভব হবে।

গবেষক দলের অন্যতম সদস্য তথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সিনথেটিক জীববিজ্ঞানী ও এমআইটির অধ্যাপক জিম কলিন্স জানিয়েছেন, ‘এর আগে জিকা ও ইবোলার রুগীদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেই এবার মাস্ক তৈরি করা হচ্ছে। মাস্কের মধ্যে একটি বিশেষ সেন্সর থাকছে। ওই সেন্সরই ভাইরাসকে শনাক্ত করবে। ভাইরাসে আক্রান্ত হলে রং হলুদ থেকে বেগুনিতে পরিবর্তিত হবে।’

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের জন্য যে অত্যাধুনিক মাস্ক তৈরি করা হচ্ছে, তা কার্যকরী কিনা তা প্রমাণ করার জন্য গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লালার নমুনা দিয়ে পরীক্ষা করা চলছে। তাতে সাফল্যও মিলেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

কলিন্সের কথায়, ‘নতুন এই মাস্কগুলো বিমানবন্দর, ট্রেন স্টেশন, অফিস, হাসপাতাল সহ অন্যান্য স্থানে সংক্রামিত লোকদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই সব স্থানে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষার চেয়ে ফেস মাস্কগুলো আরও বেশি নির্ভরযোগ্য।’

এই নতুন প্রযুক্তি পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবে ধরা দেবে এবং জনগণের ব্যবহারের উপযোগী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন গবেষণা দলের নেতৃত্ব দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সিনথেটিক জীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. জিম কলিন্স।

জানা গেছে, করোনা শানাক্তে মাস্ক আলোকিত হওয়া প্রকল্পটি বর্তমানে একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে ফলাফল খুব আশাব্যঞ্জক। কয়েক সপ্তাহ ধরে দলটি লালার নমুনায় করোনাভাইরাস শনাক্ত করতে সেন্সরগুলোর দক্ষতা পরীক্ষা করছে, সফলও হয়েছে।