শামীম আহমেদ বরিশালের হিজলায় ট্রলার নৌ দূর্ঘটনার দীর্ঘ ত২ ঘণ্টা পরে নিখোঁজ নানি শাহিদা বেগমের লাশ দূর্ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী এলাকা থেকে নৌ-পুলিশ ও হিজলা থানা পুলিশ আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে উদ্ধার করেন। হিজলায় মেঘনার শাখানদীতে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ নানি শাহিদা বেগম ও তার নাতি সায়মুন (৪) নিখোঁজ ছিল। এখনো নাতি সায়মুনের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
আজ শুক্রবার বার (৩ই জুলাই) সকাল ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান হিজলা ভারপ্রাপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর সিকদার ও হিজলা নৌ-ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ বেল্লাল হোসেন।
বুধবার দিনগত রাত ৮টার দিকে নিজস্ব ট্রলারযোগে হিজলা উপজেলার ছয়গাঁও গ্রাম থেকে বিষকাটালি গ্রামে যাচ্ছিলেন একই পরিবারের ১১ সদস্য। রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে প্রচন্ত ঢেউ ও স্রোতের মুখে পড়ে মেঘনার শাখা নদীতে ট্রলারটি ডুবে যায়। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে নিখোঁজ শাহিদা বেগম (৫০) ও তার ৪ বছরের নাতি সায়মুন ওই সময়ে আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর সিকদার বলেন, বুধবার দিনগত রাত ১২টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে আমরা ট্রলারডুবির ব্যাপারে জানতে পারি। এরপর থেকে এ পর্যন্ত নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিখোঁজ নানি ও তার নাতির সন্ধানে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে গেছি। বৃহস্পতিবার ফায়ার সার্ভিসের দল চলে গেলেও আমরা নিখোঁজ ব্যাক্তিদের সন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছি।
নিখোঁজ শাহিদা বেগম ছয়গাঁও গ্রামের মোতালেব বেপারির স্ত্রী। সায়মুন তাদের ছেলে আলামিনের পুত্র।