বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:৫৩
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

শেবাচিমে ইন্টার্ন চিকিৎসক-কর্মচারীদের বিরোধ, উভয়ে গ্রুপ আন্দোলনে যাবার হুমকি

শামীম আহমেদ  বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) ইন্টার্ন চিকিৎসক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের বিরোধ বড় আকার ধারন করতে যাচ্ছে।হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির দোষী দুই কর্মচারীর বিচার আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা না হলে কর্মবিরতিতে যাবার হুমকি দিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

অপরদিকে দুই অফিস সহায়ককে ইন্টার্ন চিকিৎসক কর্তৃক মারধরের ঘটনার দ্রুত বিচার না করা হলে তারাও আন্দোলনে যাবার হুমকি দিয়েছেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। যেকোন মুহুর্তে এই মহামারী করোনাকালে দক্ষিণবঙ্গের বৃহৎ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের চিকিৎসা ও সেবা ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে।

এঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইন্টার্ন ও কর্মচারীদের বিরোধের ঘটনায় ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

আজ শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয়ে যান ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা হাসপাতালের দুই অফিস সহায়কের বিচার দাবি করেন। এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ বিচার না পেলে কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন তারা।

এর পরপরই বেলা ১২টার দিকে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে তাদের দুই অফিস সহায়ককে ইন্টার্ন চিকিৎসক কর্তৃক মারধরের ঘটনার বিচার দাবিতে পরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন জানান।

এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে তারাও আন্দোলনের নামার হুমকি দিয়েছেন শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোদাচ্ছের আলী।

এ ব্যাপারে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, ঘটনার তদন্তে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. জসিমউদ্দিন হাওলাদারকে সভাপতি করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এই প্রতিবেদন অনুসারে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন মধ্যরাতে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন একনারী ইন্টার্ন চিকিৎসকে দুই অফিস সহায়ক কর্তৃক উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনা অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জনান পর ওই দুই অফিস সহায়ক দিদারুল ইসলাম ও নুরুল ইসলামকে ছাত্রাবাসে নিয়ে মারধর করার পাল্টা অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থেকে পরিচালকের কাছে পরস্পরকে দায়ী করে বিচার দাবী করে আসছে উভয় পক্ষ।