বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:১৮
শিরোনাম :
বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

নড়াইল পৌর এলাকায় নির্মাণ কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করতে দুদকের অভিযান

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইল পৌর এলাকায় দুদকের অভিযান ৩৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় নড়াইল পৌর এলাকায় প্রতিঘন্টায় ৩৫০ কিউবিক লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়াটার টিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে চালু করতে বিলম্ব করা হচ্ছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন এক অভিযান পরিচালনা করেছে।

গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলার সহকারি পরিচালক মো. মাহফুজ ইকবালের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে মো. মাহফুজ ইকবাল জানান, আমরা নড়াইল পৌর মেয়র মো: জাহাঙ্গীর বিশ্বাস এর সাথে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন বিষয়টি পাবলিক হেলথের। তারা এখনো আমাদের কাছে নির্মীত কাজ হস্তান্তর করেনি।

তিনি আরো জানান, ‘ওয়াটার টিমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ’ কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার জন্য নড়াইল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা ভ‚ঁইয়াকে এবং পৌর মেয়র মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ’ চালু হওয়ার কারনসম‚হ দুদক প্রয়োজনে আরো খতিয়ে দেখবে। এ অভিযানের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, দুদক যশোরের পরিদর্শক মো. আখতারুজ্জামন, সহকারি পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম, কনস্টাবল মো: মহসিন হাসান।

এ অভিযান চলাকালিন সময় নড়াইল জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান ও সদস্য আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নড়াইল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা ভ‚ইয়া জানান, ‘৬৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় নড়াইল পৌর এলাকায় প্রতিঘন্টায় ৩৫০ কিউবিক লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ’ কাজের দুইটি ধাপ। একটি ৮ কোটি ৯৯ লক্ষ ৮২ হাজার ৯৮৬ টাকা ব্যয়ে ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ’ অন্যটি ৮৭ লক্ষ ৫০ হাজার ২০৪ টাকা ব্যয়ে ‘উৎপাদন নলকুপ স্থাপন’। ইতিমধ্যে ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ’ কাজ আরো দেড়/দুই বছর আগে সম্প‚ন্ন হয়েছে। কিন্তু ‘উৎপাদন নলকুপ স্থাপন’ সম্প‚ন্ন ও সংযোগ স্থাপনের কাজ শেষ না হওয়ায় নড়াইল পৌরসভার নিকট হস্তান্তর যায়নি। আমরা আশা করছি এ বছরের অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্যে হস্তান্তরসহ আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ সুপেয় পানি উৎপাদন উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি চালু করা যাবে।