রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:০২
শিরোনাম :
সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস, থাকতে পারে আরও পাঁচ দিন তুরস্কের পর কুয়েতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান বরিশাল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত সুদানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় শিশুসহ নিহত ২৭ নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

২০২৪ সালের নির্বাচনেও অংশ নিতে চান ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক  দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেননি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই আবারও নির্বাচন করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে তার। এজন্য তিনি ও তার অতি ঘণিষ্ঠ সহযোগীরা প্রাথমিক আলোচনাও শুরু করেছেন বলে একটি সূত্রের খবর। এজন্যই তিনি নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে এ শব্দকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান।

মার্কিন সংবিধানের ২২তম সংশোধনীতে বলা হয়-‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোনো ব্যক্তিই দুই মেয়াদের বেশি নির্বাচিত হতে পারবেন না।’ তবে তিনবার নির্বাচন করে, মাঝখানে চার বছর বিরতি দিয়ে নির্বাচিত হওয়ার ইতিহাস যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। গ্রোভার ক্লিভর‌্যান্ড ১৮৮৫ ও ১৮৯৩ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ২০২৪ সালের প্রাইমারিতে ট্রাম্পকে বেশ কিছু অভিজ্ঞ রিপাবলিকান নেতার মুখোমুখি হতে হবে।

এ ব্যাপারে ট্রাম্পের সাবেক চিফ অব স্টাফস মিক মুলভানি বলেন, প্রেসিডেন্ট অবশ্যই রাজনীতিতে সক্রিয় থাকছেন। ২০২৪ সালেও তিনি থাকবেন বলে মনে করি। তিনি হারতে একেবারেই পছন্দ করেন না। চার বছর পর ট্রাম্পের বয়স হবে ৭৮ বছর, যা বাইডেনের বর্তমান বয়সের চেয়ে মাত্র এক বছর বেশি।
রিপাবলিকান পার্টিতে ট্রাম্পের বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছেন। তারা পার্টির চেয়েও ব্যক্তি ট্রাম্পের প্রতি বেশি বিশ্বস্ত। যা প্রাইমারিতে তাকে বেশ খানিকটা এগিয়ে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এমনকি এ পরিমাণ সমর্থক নিয়ে তার নিজে থেকেও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনের সক্ষমতা রয়েছে। যদি ট্রাম্পকে মনোনয়ন না দেয়া হয় এবং তিনি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করেন তাহলে রিপাবলিকান পার্টি সংকটের মুখে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

সিএনএন/এবিসি