কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: নাগেশ্বরী উপজেলার উন্নয়নের পৃষ্ঠপোষক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের খোজ নিতে প্রতিনিয়ত বন্যার্ত এলাকায় যাচ্ছেন এবং ত্রাণ বিতরণ করে আসছেন।
কুড়িগ্রামে গঙ্গাধর, দুধকুমর, ব্রহ্মপুত্র ও সংকোষ নদের পানি কমতে শুরু করলেও টানা ৯ দিন ধরে ১১ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৩, ৪ ও ৮নং ওয়ার্ড হাশেমবাজার, হরিরপাট, মমিনগঞ্জ এলাকায় প্রায় লক্ষাধিক পানিবন্দী।
গত শনিবার নাগেশ্বরী পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড এর মহিলা কলেজ, ডি এম স্কুল ও গার্লস স্কুল এ অবস্থানরত বর্ন্যাত মানুষের মাঝে খাবার বিতরন করেন এবং পৌরসভার ৩, ৪ ও ৮নং ওয়ার্ড এলাকাসহ হাজীপাড়া গ্রামে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রুকনুজ্জামান শিমু, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিনা বেগম অন্যনা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
নাগেশ্বরীর ১১ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৪টি ওয়ার্ডের প্রায় লক্ষাধিক পানিবন্দী মানুষ বন্যায় দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বাড়ছে তাদের দুর্ভোগ। বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ায় তারা গবাদিপশু নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ফ্লাড সেন্টার অথবা জেগে থাকা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশ্রয় কেন্দ্রে। পথ-ঘাট ডুবে যাওয়ায় কলাগাছের ভেলায় চলাফেরা করছে তারা।
উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান বলেন, স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বন্যায় নাগেশ্বরী উপজেলার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এখনো অনেক মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। শুধু সংগঠন আর সরকার নয় ব্যক্তিগতভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন তাহলে দেশের উন্নয়ন এবং বন্যার্ত মানুষেরা দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে।