নিজস্ব প্রতিবেদক:বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি)কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন,কাউকে সন্দেহ হলে গনপিটুনি না দিয়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলেদিন।গলাকাটা, ছেলেধরা গুজবে কান দিবেন না।এ ধরনের কোন গুজবের তথ্য পেলে পুলিশকে তাৎক্ষনিক ভাবে অবহিত করুন।
গুজব প্রতিরোধে কি করনীয় তা জানাতে বুধবার সন্ধ্যায় বিএমপি কমিশনার কার্যালয়ে এক লিখিত সংবাদ সম্নেলনে তিনি একথা বলেন।
শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে একশ্রেনীর লোক পদ্মা সেতুর পিলারের জন্য মাথা লাগবে এমন একটি মিথ্যা ও মনগড়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথা ফেসবুকে পোষ্ট,শেয়ার, লাইক ও কমেন্টসের দ্বারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।যার কারনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছেলে ধরা ও গলাকাটা সংক্রান্তে মানুষের মনে ভয় -ভীতি সঞ্চার সহ আতঙ্ক বিরাজ করছে।যার ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন এলাকায় গন-পিটুনি সহ হানাহানির ঘটনা ঘটছে। গনপিটুনির ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তি বা ভিক্টিম মানষিক ভারসাম্যহীন বা অসুস্থ মর্মে পরবর্তীতে অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়।
তিনি আরো বলেন,কাউকে গনপিটুনি দিয়ে মৃত্যু ঘটানো গুরুতর ফৌজদারী অপরাধ।গুজব রটনাকারীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা দল অনুসন্ধান তৎপরতা শুরু করছে। আসুন আমরা সকলে সচেতন হই,গুজব ছড়ানো এবং গুজবে কান দেওয়া থেকে বিরত থাকি, যেকোন বিভ্রান্তি মূলক তথ্য বা গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট শেয়ার,লাইক ও কমেন্টস করা থেকে বিরত থাকুন।
তিনি বলেন, আমরা এ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে বরিশালের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খুব দ্রুত ক্রাশ প্রোগ্রাম করতে যাচ্ছি। সেখানে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা থাকবেন। যদিও, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমাদের সচেতনতামূলক প্রচারণা কর্মসূচি আগে থেকেই চলছে।
বিএমপি কমিশনার বলেন, নগরে গুজব নিয়ে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে, লিফলেট বিতরণ হচ্ছে। পাশাপাশি, আগামী জুমার খুতবায় এ নিয়ে ইমাম সাহেবরা বয়ান দেবেন।
সংবাদ সম্নেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন,মহানগর ট্রাফিক পুলিশের ডিসি মো:খাইরুল আলম,মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি মো: জাহাঙ্গীর মল্লিক,এডিসি হেডকোয়ার্টার মো: আবু নাসের,কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো: নুরুল ইসলাম,বন্দর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।