বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:০৭
শিরোনাম :
বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী

হরতাল প্রত্যাহার করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা কাদের মির্জার

ডেক্সরিপোর্ট  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি,সড়ক অবরোধ ও হরতাল সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সাময়িকভাবে তিনি হরতাল ও অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।

তবে দাবি পূরণ না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নেতাকর্মীদের নিয়ে আধাবেলা হরতাল পালনের ঘোষণা দেন তিনি।

নোয়াখালী ও ফেনীর অপরাজনীতি বন্ধ, নোয়াখালীর ডিসি, এসপি এবং কোম্পানীগঞ্জের ওসি ও ওসি তদন্তসহ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে থানার সামনে নেতাকর্মীদের নিয়ে এ অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন কাদের মির্জা।

এ সময় কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল,ব্যাংকার ফখরুল ইসলাম রাহাত ও চরকাঁকড়ার ফখরুল ইসলাম সবুজসহ তার অনুসারীদের গ্রেফতারের দাবিও জানান কাদের মির্জা।

এদিকে দাবি পূরণ না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতালের ডাক দেন কাদের মির্জা। এদিনও দাবি না মানলে শুক্রবার থেকে সকাল-সন্ধ্যা লাগাতার অবরোধের ডাক দিয়েছেন আলোচিত এ মেয়র।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে থেকে অনির্দিষ্টকালের এ হরতালের ঘোষণা দেন কাদের মির্জা।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টেকেরবাজারে আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ তার কিছু অনুসারীকে নিয়ে আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। সমাবেশে সবুজ মেয়র মির্জার বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুল ইসলাম সবুজকে আটক করে পরে ছেড়ে দিয়েছে,এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে নিজের নেতাকর্মীদের নিয়ে থানা ঘেরাও করেন কাদের মির্জা। বিক্ষোভকারীরা থানার সামনের সড়কসহ পৌরসভার কয়েকটি সড়ক বাঁশ দিয়ে বন্ধ করে দেন।