বুধবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৫৯
শিরোনাম :
সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল!

নড়াইলে গভীর রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে শিশু চুরির চেষ্টা

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে শিশু চুরির চেষ্টা ব্যার্থ হয়েছে। নড়াইলের রাজাপুর (বড়নাল) গ্রামের রমিজ মিনের দেড় বছরের শিশু হামিদাকে অজ্ঞান করার জন্য ইনজেকজেন দেয়ার প্রস্তুতি কালে তাড়া খেয়ে পালিয়ে গেছে দুবৃত্তরা। রোববার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়ায় ”চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ আতংকে বেশ কয়েকজন রোগী ডাক্তারের অজান্তে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছেড়ে চলে গেছে বলে জানা গেছে।

জানাগেছে, রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার সময় দুবৃত্তরা নড়াইলের কালিয়া উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ভবনের ভিতরের বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন করে অন্ধকার করে ফেলে। নড়াইলের কালিয়া উপজেলা উপজেলার রাজাপুর (বড়নাল) গ্রামের রমিজ মিনের দেড় বছরের শিশু হামিদার গলার ফোড়ার চিকিৎসার জন্য নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মহিলা ওয়াডের্ (৬নম্বর বেডে) ভর্তি হয়। শিশুর সঙ্গে তার মা রুনা বেগম একই বেডে রাতে ঘুমিয়েছিল।

দৃবৃত্তরা শিশুকে অজ্ঞান করার জন্য ইনজেকজেন দেয়ার প্রস্তুতি কালে তার মাতা তাকে দেখে ফেলে। তখন সে চিৎকার দিলে রোগী, রোগীর পরিবার ও হাসপাতালের লোকজন ছুটেআসলে দুবৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি রোগীরা আতংকের মধ্যে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে শিশু হামিদার মা রুনা বেগম বলেন, ‘এ ঘটনা সত্য। ঘটনার পর রাতের বাকী সময় একটু ও ঘুম হয়নি। ভয়ে সকালে হাসপাতাল ছেড়ে আমার শাশুড়ী সাফিয়া বেগমের সঙ্গে বাড়ী চলে এসেছি।’ হাসপাতালে ভর্তি রোগী ৫নং বেডের মনিমালা, ১৫ নং বেডের সপ্না বেগম,৮ নং বেডের জাকিয়ার মাতা লাকী বেগম,৯নং বেডের সুরাইয়ার মাতা নাছরিন বেগম বলেন আমরা চিৎকার শুনে সেখানে গেলে চোর দৌড়ে পালিয়ে যায়। রাত ভর আমরা ভয়ে ঘুমাতে পারিনি।

এ বিষয় নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.মোন্তাজ মজিদ খবরকে বলেন, ‘আমি কিছু শুনি নাই। আপনারা স্যারের সঙ্গে কথা বলেন। আমি কোন মন্তব্য করতে পারবো না।

নড়াইলের কালিয়া থানার ওসি মো.রফিকুল ইসলাম,  জানান, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে কিংবা থানায় মৌখিক বা লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ করেননি।’