শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:২৩
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে যোগদান করতে পারেননি বি এম কলেজের উপাধ্যক্ষ

শামীম আহমেদ  বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন হয়েও সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে তিনি যোগদান করতে পারেননি অধ্যাপক এএস কাইউম উদ্দিন আহমেদ। সাধারণ শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক এ এস কাইউম উদ্দিন আহমেদকে দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে এ আন্দোলন করেন।

আজ রবিবার (২৩ মে) সকাল ১১টার দিকে অধ্যাপক এ এস কাইউম উদ্দিন আহমেদ উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করতে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে তিনি যোগদান করতে পারেননি।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় দেশের পাঁচটি সরকারি কলেজে নতুন অধ্যক্ষ ও দুটি কলেজে উপাধ্যক্ষ নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজের অধ্যাপকদের।

এই নিয়োগের ভিত্তিতে অধ্যাপক এ এস কাইউম উদ্দিন আহমেদ উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করতে আজ সকালে সরকারি ব্রজমোহন কলেজে আসেন। তার যোগদান করতে আসার খবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পরলে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলনের ডাক দেয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের কারণে তিনি উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করতে পারেননি। তিনি যোগদানের জন্য অনেক চেষ্টা করেও অবশেষে ব্যর্থ হয়ে কলেজ থেকে বের হতে বাধ্য হন। তিনি চলে যাওয়ার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন তুলে নেন। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, যদি তিনি ফের কলেজে যোগদান করতে আসেন তাহলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। কারণ তিনি একজন অসৎ দুর্নীতিপরায়ণ লোক। তার মতো শিক্ষক আমাদের কলেজে থাকলে কলেজের ও শিক্ষার্থীদের ব্যাপক ক্ষতি হবে। তাই আমাদের সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে এই অসৎ দুর্নীতিপরায়ণ শিক্ষককে যেন আমাদের কলেজে নিয়োগ না দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক এ এস কাইউম উদ্দিন আহমেদ মুঠোফোনে জানান, আমি যোগদান করতে সকালে কলেজে গেলে কিছু শিক্ষার্থীরা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ¯েøাগান দিয়ে কলেজে আন্দোলন করে। তবে কি কারণে তারা আন্দোলন করেছে আমার তা জানা নেই।