মঙ্গলবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৩৫
শিরোনাম :
নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু বিএম কলেজের বাস ও হোস্টেল সংকট সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন স্পিকার লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে গুরুতর সংকট মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৫৩ অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ বরিশাল ইইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরূদ্ধে নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ বিএম কলেজে আপত্তিকর অবস্থায় বহিরাগত তরুণ তরুণী আটক বিএম কলেজের ছাত্রীনিবাসে চোর আতঙ্ক, নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষার্থীরা নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা দেশে কেউ সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু নয়, সব নাগরিকের পরিচয় বাংলাদেশি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

জেলের জালে ধরা পড়ছে রুপালী ইলিশ,সরগরম হয়ে উঠছে আড়ৎগুলো

কামরুজ্জামান শাহীন,ভোলা:ভোলার মেঘনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে রুপালী ইলিশ। এতে জমজমাট হয়ে উঠেছে মাছের আড়ৎগুলো। জেলে, আড়তদার ও পাইকারদের হাকডাকে সরগরম হয়ে উঠেছে জেলার মাছঘাটগুলো।

দেরিতে হলেও নদীতে মাছ ধরা পড়ায় তাই হাসি ফুটে উঠছে জেলেদের মুখে। মাছ বিক্রির টাকায় লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশাবাদী জেলে পরিবারগুলো।

জেলেরা জানায়, এতোদিন নদীতে মাছের দেখা মেলেনি, এতে বেশিরভাগ জেলে দাদন আর মহাজনের দেনায় চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু গত তিন,চারদিন ধরে নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে জেলেদের জালে। এতে দার দেনা পরিশোধ হবে। লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।

ভোলার ঢালচর,পাতিলা,কুকরী মুকরী,সামরাজ,বকসি,পাঁচ কপাট, খেজুরগাছিয়া, ও বেতুয়া ঘাটসহ বেশ কয়েকটি ঘাট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।

ঢালচর এলাকার জেলে জসিম ও শাহেআলম বলেন, গত কয়েক মাস সারাদিন জাল নিয়ে ছুটলেও ফিরতে হতো প্রায়ই খালি হাতে। কিছুদিন হলো এখন যা মাছ পাওয়া যাচ্ছে তা অনেক সন্তোষজনক। এক খেও দিয়ে ১০/১২ হাজার টাকার মাছ পাওয়া যাচ্ছে।

সামরাজ এলাকার জেলে আঃ রহমান বলেন, দিন,চারদিনে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করেছি, মাছের আমদানি অনেক ভালো। এতে অনেক জেলেই দাদন শোধ করে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।

চর পাতিলার মাছ ঘাটের আড়তদার আনোয়ার বলেন, নদীতে মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও আড়তদাররা অনেক খুশ। দিন যতো বাড়বে মাছের আমদানি আরো বাড়বে। এখানকার মাছ ঢাকা,বরিশাল ও চাঁদপুর পাঠানো হতে থাকে।
মাহেআমল নামের এক আড়তদার জানান, মাছ ধরা পড়লেও মা ইলিশ অভিযান নিয়ে কিছুটা চিন্তিত, কারণ শেষ মুহুর্তে মাছ ধরা পড়া শুরু করেছে। তবুও জেলেরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

ভোলা জেলা সিনিয়ন মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, এ বছর ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। এখন পর্যন্ত ৪০/৪৫ মেট্রিক উৎপাদন হয়েছে। আশাকরি ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। এ ইলিশ টানা ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।