বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:১১
শিরোনাম :
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

রাজধানীতে যে কোনো স্থাপনায় সিটি করপোরেশনের অনুমোদন লাগবে

ডেস্করিপোর্ট  স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘রাজধানীতে যে কোনো অবকাঠামো নির্মাণের সময় এখন থেকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পাশাপাশি সিটি করপোরেশন থেকে অনুমোদন নিতে হবে। সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, রাস্তাসহ কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম নেওয়া যাবে না।’

রোববার ঢাকা-চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ে সচিবালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

এ ছাড়া এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে জলাবদ্ধতা নিরসনে বেদখল হয়ে যাওয়া খালগুলো উদ্ধারে জোর দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, কাউকে দোষারোপ করে নয়, জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। দ্রুত পদক্ষেপ নিলে জলাবদ্ধতা নিরসন করা সম্ভব।
যে কোনো প্রকল্পের কারণে জনগণের অসুবিধা হলে সিটি করপোরেশন সেটি বন্ধ করে দিতে পারবে। রাজউক অনুমতি দিলেও যদি সিটি করপোরেশন মনে করে এটি শহরের জন্য কল্যাণকর নয়, তা হলে সে কাজ বন্ধ করে দিতে পারবে।

সভায় ঢাকার দুই মেয়র ছাড়াও বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।