বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:৩৭
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

পাগলা মসজিদের সিন্দুকে মিলল ১৫ বস্তা টাকা

ডেস্করিপোর্ট  মসজিদের নাম পাগলা মসজিদ। কিশোরগঞ্জ শহরের রাখুয়াইল এলাকায় নরসুন্দা নদীর মাঝপথে প্রবাহিত নদীর মধ্যবর্তী স্থানে ঐতিহাসিক এ মসজিদ অবস্থিত।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পাগলা মসজিদের আটটি দানবাক্স (লোহার সিন্দুক) খুলে মিলেছে ১৫ বস্তা টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ-রৌপ্যলঙ্কারসহ বিদেশি মুদ্রা।

প্রতি তিন মাস পর পর এ সিন্দুকগুলো খোলার রেওয়াজ থাকলেও করোনার কারণে ৪ মাস ৬ দিন পর আজ সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছে।

এ টাকা গণনার কাজে রূপালী ব্যাংকের এজিএম ও অন্যান্য কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা,এতিমখানার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

দুপুর একটা পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি টাকা গণনা করা হয়েছে। পুরো টাকা-পয়সা ও অন্যান্য সম্পদ গণনা এবং মূল্যমান নির্ণয় করতে বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৬টা বেজে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম।

এর আগে সর্বশেষ ৬ নভেম্বর সিন্দুকগুলো খোলা হয়। তখন রেকর্ড ৩ কোটি সাত লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, এবার দানের টাকার পরিমাণ আরও বেড়ে যেতে পারে।

জানা গেছে, ওই মসজিদে মানত করলে মনের বাসনা পূর্ণ হয়- এমন ধারণা থেকে প্রতিদিন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন বয়সের শত শত নারী-পুরুষ এখানে দান ও মানত নিয়ে এসে থাকে। আর এ ইতিহাস আড়াইশ’ বছরের বেশি সময়ের।

পাগলা মসজিদের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম জানান, দানের টাকা মসজিদ কমপ্লেক্সের উন্নয়নসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা, এতিমখানার উন্নয়নের পাশাপাশি দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী এবং দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত দুস্তদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়ে থাকে।