বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:০৯
শিরোনাম :
বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা,দেখলেই জনমনে আতঙ্ক ! আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ইসলামী আন্দোলন নেতার সাংগঠনিক সব পদ স্থগিত নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়মের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা

অর্থনীতি এখনো গতিশীল ও নিরাপদ আছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্করিপোর্ট  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক মন্দায় আমাদের অর্থনীতি গতিশীল ও নিরাপদ আছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সকালে যশোর বিএএফ একাডেমিতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বার্ষিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞায় সারাবিশ্বেই মন্দা দেখা দিয়েছে। তবে এ মন্দা থেকে যেন উত্তরণ ঘটাতে পারি, সেজন্য আমরা যথেষ্ট সজাগ আছি। আমাদের অর্থনীতি যথেষ্ট গতিশীল আছে, নিরাপদ আছে।

বিমানবাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, এই নীতি বিশ্বাস করি। তারপরেও আমাদের দক্ষতার দিক থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সব ধরনের উৎকর্ষতা বজায় রেখে চলতে হবে।

দেশমাতৃকা ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকতে হবে বলেও মন্তব্য করন শেখ হাসিনা।

‘আমাদের বিমানবাহিনী অত্যন্ত চৌকস ও দক্ষ’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের বিমানবাহিনী অত্যন্ত চমৎকার ভূমিকা পালন করছে। আমরা সত্যিই সেজন্য গর্বিত।

এছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনীর একটি গৌরব উজ্জ্বল অধ্যায় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জাতির পিতা আমাদের প্রতিরক্ষা নীতিমালা করে গিয়েছিলেন, যা আমরা বাস্তবায়ন করছি।

তিনি বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর অন্তত ৬০০ বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। ১৯৭৫ এর পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নানা ঘটনা ঘটে। আমরা সরকারে আসার পর বিমানবাহিনীকে নতুন করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করি।