বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, বিকাল ৪:৪২
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

পিস্তল নিয়ে ধাওয়া দিতে গিয়ে মেয়রের ছেলে আটক

ডেস্করিপোর্ট  পাবনার ফরিদপুর পৌর এলাকায় বাবার পিস্তল নিয়ে প্রতিপক্ষকে ধাওয়া দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন মেয়রের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে পৌর এলাকার মুক্তমঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। এসময় তার কাছ থেকে পিস্তলটি জব্দ করে পুলিশ। আটক কামরুল হাসান সুজয় (২৭) ফরিদপুর পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. কামরুজ্জামানের ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে মেয়রের ছেলে কামরুল হাসান সুজয়ের সঙ্গে উপজেলার পুঙ্গুলী ইউপি চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলামের বিরোধ ছিল। বেলা ১টার দিকে সাজেদুল পৌর এলাকায় আসলে কামরুল পিস্তলসহ সহযোগীদের নিয়ে তার ওপর চড়াও হয়। এ সময় সাজেদুলের লোকজন কামরুলকে পিস্তলসহ আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ কামরুলকে আটক ও পিস্তলটি জব্দ করে।

জানাগেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পুংলি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একটি সমাবেশ হয়। সমাবেশে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পৌর মেয়র উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে ইউপি চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলামকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পৌর মেয়র কামরুজ্জামানের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় সাজেদুলের। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সাজেদুলের ওপর ক্ষিপ্ত হয় মেয়রের ছেলে কামরুল হাসান সুজয়।

ফরিদপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে মুক্তমঞ্চের সামনে প্রতিপক্ষকে বাবার লাইসেন্সকৃত পিস্তল দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে কামরুল হাসান সুজয়। এসময় সেখানে দায়িত্বরত এসআই ওয়াজেদ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ফরিদপুর পৌর মেয়র কামরুজ্জামান মাজেদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। পরে কথা বলব।

সহকারী পুলিশ সুপার (ফরিদপুর সার্কেল) হাবিবুর রহমান বলেন, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামরুল পিস্তলটি তার বাবার লাইসেন্স করা বলে জানিয়েছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ ও পিস্তলের অবৈধ ব্যবহার হয়েছে।