বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:৪৪
শিরোনাম :
সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল!

অতিরিক্ত মদপানে বরিশালে ৩ যুবকের মৃত্যু

ডেক্সরিপোর্ট:বরিশালে বিজয়া দশমীর রাতে অতিরিক্ত মদপানে তিন যুবকের মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) বিকালে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন,নগরীর বাজার রোডের যুথি প্রকাশ রায়ের ছেলে সিদ্ধার্থ রায়, নগরীর দপ্তরখানার বাসিন্দা নরেন্দ্র কর্মকারের ছেলে বিকাশ কর্মকার এবং কাশীপুরের গনপাড়ার বাসিন্দা পরিমল চন্দ্র দাসের ছেলে রতন চন্দ্র দাস। সিদ্ধার্থ ও বিকাশ পরস্পরের বন্ধু বলে জানা গেছে।

মৃতদের মধ্যে সিদ্ধার্থের মৃত্যু সনদে অ্যালকোহলিক বিষক্রিয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। অন্য দুজনের মৃত্যু সনদে হৃদযন্ত্রের সমস্যার কথা বলা হয়েছে। সিদ্ধার্থের মৃত্যু সনদে মদপানের কথা উল্লেখ থাকায় পুলিশ তিনজনের লাশই ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু রতনের আগেভাগে সৎকার করা হয়। এ কারণে বাকি দুজনের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্টার্ড অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে সিদ্ধার্থকে ভর্তি করা হয়। দুপুর ১টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বিকাশকে বুধবার রাত ১১টায় একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় তার মৃত্যু হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে রতনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ৭টা ৫০ মিনিটে সে মারা যায়।

মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র দে নারু জানান, বিজয়া দশমীর রাতে বিসর্জন শেষে তারা আনন্দ উৎসবের সময় মদপান করে থাকতে পারে। হাসপাতাল থেকে তাদের লাশ স্ব-স্ব পরিবারে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য ফের লাশগুলো মর্গে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে।

ওসি নুরুল ইসলাম জানান, ওই তিন যুবক একই সঙ্গে চলাফেরা করত। তারা বিজয়া দশমীর রাতে অ্যালকোহল জাতীয় কিছু পান করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।