মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৪৪
শিরোনাম :
বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে‘সেবা দিবস’পালিত বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটি টাকার বিরোধ দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রধান কারিগর: শিক্ষামন্ত্রী বরিশালে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুলের প্যারেন্টিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বিসিসি নির্বাচনে মাঠে তৎপর এনসিপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শিকদার! কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: এড.আতিকুর রহমান গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন ১০ নেতাকর্মী! চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা

বেশি লাভে মুরগি বিক্রি, কাপ্তান বাজারে অভিযানে বন্ধ হলো আড়ত

ডেস্করিপোর্ট  বেশি লাভে মুরগি বিক্রি করার কারণে রাজধানীর কাপ্তান বাজারে আড়ত বন্ধ করে দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে সোনালী মুরগি ২৮৫ টাকা কেজি দরে কিনে ৩৩৫ টাকায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়।

সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর অন্যতম বড় এই পাইকারি বাজারে অভিযান পরিচালনাকালে জনতা হাঁস মুরগির আড়ত সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এদিন ভোক্তার অভিযানে জাকারিয়া নামের ওই আড়তের এক প্রতিনিধিকে (লাইনম্যান) বাজার মালিক সমিতির হেফাজতে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে মুরগির দাম নিয়ে কারসাজির ব্যাখ্যা দিতে ওই প্রতিনিধিসহ বাজার মালিক সমিতির নেতাদের আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে ডাকা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) মুরগি উৎপাদনকারী বড় চার প্রতিষ্ঠান (সিপি, আফতাব, কাজী, প্যারাগন) ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এসে ব্রয়লার মুরগি মিল পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রির ঘোষণা দেয়। এর ভিত্তিতে শুক্রবার ও শনিবার দেশব্যাপী তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে ভোক্তা অধিদপ্তর। কিন্তু আজ কাপ্তান বাজারে তদারকি করে দেখা গেছে, পাইকারি যে দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হওয়ার কথা সেই দামে বিক্রি হচ্ছে না। কেউ ১৭০ টাকা, কেউ ১৭৫ টাকা করে ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন। এই দামে কিনলে কত টাকা করে বিক্রি করা যায় তা আমরা বিক্রেতাদের কাছে জানতে চেয়েছি। কেউ বলেছেন ১৯০ টাকা, কেউ বলেছে ১৮৫ টাকা করে বিক্রি করা যায়। কিন্তু বাজারে ১৯০ টাকা করে কোথাও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে না। এ জন্য আমরা বাজার সমিতিকে ডেকেছি এবং তাদের বিষয়টি অবহিত করেছি।

তিনি আরও বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম অনেকটা কমে এলেও সোনালী মুরগির ক্ষেত্রে এখনো অস্থিরতা রয়েছে। খুচরা পর্যায়ে কোনো ব্যবসায়ী ৩৩৫ টাকা কেজিতে সোনালী মুরগি বিক্রি করছেন, কেউ ৩৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। আবার একই মুরগি কেউ ৩৩০ টাকায় বিক্রি করছেন।

এ জন্য আমরা মুরগি আড়ত তদারকি করতে যাই। সেখানে গিয়ে আমরা অনিয়ম পাওয়ায় এটি আড়তকে সমায়িকভাবে বন্ধ করেছি। পাশাপাশি ওই আড়তের একজন প্রতিনিধি, যাকে ব্যবসায়ীরা লাইনম্যান বলেন, তাকে আমরা সমিতির হেফাজতে রেখেছি। আজ সোমবার দুপুর ২টায় ওই লাইনম্যানসহ সমিতির নেতাদের আমরা আমাদের অফিসে ডেকেছি। এই ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেবেন।

ওই আড়তের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে ভোক্তা অধিদপ্তরের পরিচালক আরও বলেন, ওই লাইনম্যান ক্রয় রশিদ রাখেনি। আমরা বারবার বলছি, ক্রয় রশিদ এবং বিক্রয় মূল্য থাকতে হবে। আমরা পাইকারদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ২৮৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত সোনালী মুরগি কিনেছেন। এখন সেই মুরগি ১০ টাকা লাভে বিক্রি করলে সর্বোচ্চ ৩১০ টাকায় বিক্রি করার কথা। কিন্তু ওই আড়তে ৩৩০ থেকে ৩৩৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এটা ব্যবসায়ীদের নৈতিকতাবিরোধী। তাই তাদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে আমরা আমাদের অফিসে ডেকেছি।