মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:০৬
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার পুলিশ আসার খবরে ভবনের ছাদ থেকে লাফ, ওয়ার্ড আ’লীগ নেতার মৃত্যু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সভাপতি: মামুন-অর-রশিদ, সম্পাদক: আরিফুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক : রহমাতুল্লাহ অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে অটো রাইস মিল,অতিষ্ঠ এলাকাবাসী দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় ভারতের চন্দ্রযান-৩

অনলাইন ডেস্ক  ভারতকে চাঁদে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় আছে চন্দ্রযান-৩। এ চন্দ্রযানের মাধ্যমে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের মাটিতে নামতে যাচ্ছে ভারত। এর আগে কেবল যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের মহাকাশযান নিরাপদে চাঁদের মাটিতে নামতে পেরেছে। খবর বিবিসি।

এই মহাকাশযান তৈরি হয়েছে অরবিটার, ল্যান্ডার ও রোভার- এই তিনটি অংশ নিয়ে। এটি ভারতের তৃতীয় চন্দ্রাভিজান। চাঁদে পৌঁছানোর চেষ্টায় এর আগে দুটো অভিযান চালিয়েছে ভারত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে শুক্রবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ হবে চন্দ্রযান ৩।

আর এই অভিযান সফল হলে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ভারত চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে একটি রোবটযান নামাতে সক্ষম হবে। চাঁদের ওই অংশ এখনও খুব কমই জানে মানুষ।

চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডার আগামী ২৩ বা ২৪ অগাস্ট চাঁদে অবতরণ করবে বলে আশা করছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

২০০৮ সালে প্রথম অভিযানে চন্দ্রযান-১ পৌঁছেছিল চাঁদের কক্ষপথে। চাঁদের ভূপৃষ্ঠের গঠন ও পানির উপস্থিতি নিয়ে বড় পরিসরে গবেষণা চালানো হয় সে সময়।

চন্দ্রযান-১ অভিযানের প্রকল্প পরিচালক মিলস্বামী আন্নাদুরাই বিবিসিকে বলেন, দিনের বেলায় চাঁদে যে একটি বায়ুমণ্ডল সক্রিয় থাকে, ওই গবেষণাতেই তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়।

দ্বিতীয় অভিযানে চন্দ্রযান-২ এও এবারের মত অরবিটার, ল্যান্ডার ও রোভার ছিল। ২০১৯ সালের সেই অভিযান আংশিকভাবে সফল হয়েছিল।

চন্দ্রযান-২ এর অরবিটার আজও চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করছে এবং তথ্য পাঠাচ্ছে। কিন্তু এর ল্যান্ডার অবতরণের সময় শেষ মুহূর্তের জটিলতায় চাঁদের মাটিতে বিধ্বস্ত হয়।

৩৯০০ কেজি ওজনের চন্দ্রযান-৩ বানাতে খরচ হয়েছে ৬.১ বিলিয়ন রুপি (সাড়ে ৭ কোটি ডলার)। আগেরবারের মত এবারের অভিযানেও ইসরোর লক্ষ্য, চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডারের সফল অবতরণ নিশ্চিত করা।

ইসরোর প্রতিষ্ঠাতার নামে চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডারের নাম রাখা হয়েছে বিক্রম, যার ওজন প্রায় দেড় হাজার কেজি। ওই বিক্রমই বহন করবে ২৬ কেজি ওজনের রোভার বা রোবটযান প্রজ্ঞানকে।

পৃথিবী থেকে চন্দ্রযান-৩ কে মহাকাশে পৌঁছে দিতে ব্যবহার করা হচ্ছে এলভিএম-৩ রকেট। ভারতীয়রা এ রকেটের নাম দিয়েছে ‘বাহুবলী’।

শুক্রবার উৎক্ষেপণের পর এই মহাকাশযান চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করতে সময় লাগবে ১৫ থেকে ২০ দিন। বিজ্ঞানীরা এরপর ধীরে ধীরে গতি কমিয়ে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় মহাকাশযানকে নিয়ে যাবেন, যেখান থেকে বিক্রমের অবতরণপর্ব শুরু হবে।