শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:২৬
শিরোনাম :
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা

মাদারীপুরে শ্রেণিকক্ষে টিকটক, ৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ডেস্করিপোর্ট  মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বসে টিকটক ভিডিও তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় ৪ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার দুপুরের এ ঘটনায় ওই ৪ শিক্ষার্থীকে নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয় ও শিক্ষক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কালীনগর ফাসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির চার ছাত্রী তাদের ক্লাশ চলাকালে আরেক রুমে বসে ফোন দিয়ে নিজেরাই টিকটক তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে। এটি মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় টিকটককারী ওই ৪ শিক্ষার্থীকে নিয়ে এলাকার বিভিন্ন মহলে সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাফ হোসেন কিরণ অভিযুক্ত ওই ৪ শিক্ষার্থীকে ডেকে তাদের শাস্তি হিসেবে বিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেন।

কালীনগর ফাসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাফ হোসেন কিরণ জানান, স্কুল হচ্ছে পড়ালেখা শেখার জায়গা, এটা কোনো টিকটক করার জায়গা নয়। অভিযুক্ত ৪ ছাত্রীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। যাতে তাদের মতো আর কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে এসে এসব করার সাহস না পায়।

এ ব্যাপারে আলীনগর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও কালীনগর ফাসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সদস্য হাফিজুর রহমান মিলন জানান, আমি একজন অভিভাবক হিসেবে বলতে চাই, বিদ্যালয়ে বসে তারা অন্যায় কাজ করেছে তাই শাস্তি হয়েছে। আগামীতে কোনো শিক্ষার্থী এভাবে অন্যায় অপরাধ করলে কোনো প্রকার ছাড় পাবে না।