শুক্রবার, ৮ই মে, ২০২৬ ইং, সকাল ৭:২২
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবারের ছুটি বাতিল সরকারি চাকরিজীবীদের জেলেদের আগের তালিকা পুনর্বিন্যাস করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সময়ের আগেই ধান কাটতে বাধ্য হওয়ায় হাওড়ের কৃষকদের চোখে হতাশার ছাপ বরিশালে শিশু সন্তানসহ গৃহবধূ নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার প্রধান শিক্ষক এইচ এম জসীম উদ্দীনের দূরদর্শিতায় এগিয়ে যাচ্ছে এ.কে স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের ২০ শতাংশ মানুষ ভুগছে থাইরয়েড রোগে ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক

বিএনপি নেতা হাফিজ ইব্রাহিমের টিন আত্মসাতের মামলা স্থগিত

ডেস্ক রিপোর্ট ।। সাবেক সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে ত্রাণের টিন আত্মসাতের মামলা চলবে বলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আপিল শুনানি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই মামলা স্থগিত থাকবে বলে আদেশে বলা হয়েছে।

রোববার (১২ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বড় ভাই হাফিজ ইব্রাহিমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসিফ হোসাইন।

২০০৭ সালের ১৩ জুন ভোলার বোরহান উদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মনিরাম বাজার সংলগ্ন হাফিজ ইব্রাহিম মহাবিদ্যালয় থেকে ১০০ বান্ডেল ত্রাণের টিন উদ্ধার করেছিল যৌথবাহিনী।

বোরহান উদ্দিন উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওই দিনই দুজনকে আসামি করে বোরহান উদ্দিন থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক রামমোহন নাথ ২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

অভিযোগ পত্রে হাফিজ ইব্রাহিম মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্থানীয় বিএনপি নেতা এস এম গজনবী, স্থানীয় চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন চৌধুরী, হাফিজ ইব্রাহিম ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন শাহজাহানকে আসামি করা হয়।

মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর মো. হাফিজ ইব্রাহিম হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন। তার বিরুদ্ধে মামলার অংশটি বাতিল করে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয় সেখানে।

ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট সে সময় রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে দেন।

সেই রুলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর রুল খারিজ করে রায় দেন। এরপর আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন হাফিজ ইব্রাহিম।