রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:১৯
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে চলছে গোলাগুলি, মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান অপপ্রচারের শিকার বরিশালের আইনজীবী জাকির, পাওয়া গেল ভিন্ন তথ্য মাথা কেটে আলাদা করার সময়ও বেঁচে ছিল শিশু রামিসা! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইরানের সঙ্গে হয় অর্থবহ চুক্তি, নয়তো কোনো চুক্তিই নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প গৌরনদীতে মাইক্রোবাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নারী শিশু সহ আহত ৫ কোরবানির সিদ্ধান্তে জটিলতা, খামারিদের ঘরে ঘরে কান্নার রোল জুলাই সনদ না মেনে জন আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে অবস্থান নেয়ায় সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে : মিয়া গোলাম পরওয়ার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুঃ বেলভিউ কর্তৃপক্ষের দুঃখ প্রকাশ

১১ বছর পর কবর থেকে তোলা হলো ৩ শিবিরকর্মীর লাশ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় গুলিতে নিহত তিন শিবিরকর্মীর লাশ ১১ বছর পর কবর থেকে তোলা হয়েছে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ লাশগুলো তোলা হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে ১৪ ডিসেম্বর জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির আদেশের প্রতিবাদে বসুরহাটে মিছিল বের করে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা। এসময় জামায়াত-শিবির ৪ কর্মী গুলিতে নিহত হন। পরে ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্তের জন্য আদালত ওই ৪ জনের লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর নিহত শিবিরকর্মী সজিবের লাশ কবর থেকে তোলা হয়।

এরই ধরাবাহিকতায় সোমবার সকালে চরহাজারী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে শিবিরকর্মী আবদুল আজিজ রায়হান, দুপুরে রামপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভী নুরুল ইসলামের ছেলে শিবিরকর্মী সাইফুল ও বিকেলে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আবুল কাশেমের ছেলে শিবিরকর্মী সাইফুল ইসলামের লাশ পারিবারিক কবরস্থান থেকে তোলা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম, হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) এসআই মঈনুল হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পৌরসভা আমির মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, সেক্রেটারি মাওলানা হেলাল উদ্দিন ও নিহতদের স্বজনেরা।

প্রসঙ্গত ২০১৩ সালে ১৪ ডিসেম্বর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় জামায়াত-শিবিরের ৪ নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় নিহত জামায়াত কর্মী সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মো. আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলার জন্য আবেদন করেন। আদালত আবেদন আমলে নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়।

পরে গত ২৬ সেপ্টেম্বর কোম্পানীগঞ্জ থানা ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল কাদের মির্জা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, সাবেক ইউএনও নুরুজ্জামান, থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ও ১৯ পুলিশ সদস্যসহ ১১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা রেকর্ড করা হয়।