সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১১:০৩
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। যুক্তরাষ্ট্র নতুন ধরনের শক্তিশালী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চিন্তা করছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ‘ডার্ক ঈগল’ নামের গোপন হাইপারসনিক মিসাইল মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর অনুরোধ করেছে, যা ইরানের গভীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা এড়িয়ে চলতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলো এমন দূরত্বে সরিয়ে নিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান মিসাইলগুলো কার্যকরভাবে আঘাত করতে পারছে না। তাই এই পরিস্থিতিতে নতুন অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে এনেছে তারা।

অনুমোদন পেলে এটি হবে প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষাধীন ‘ডার্ক ঈগল’ ক্ষেপণাস্ত্রের বাস্তব মোতায়েন। এর পাল্লা প্রায় ২,৭৭৬ কিলোমিটারের বেশি বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করা হচ্ছে বলেও এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্ভাব্য হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত চীন ও রাশিয়ার মতো উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যাদের সামরিক সক্ষমতা ইরানের তুলনায় অনেক বেশি।

এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনার মাধ্যমে ইঙ্গিত মিলেছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু সক্ষমতা এখনো সক্রিয় আছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, তারা আকাশে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দুই দেশই এখন নৌপথে পালটাপালটি চাপ সৃষ্টি করছে এবং কৌশলগতভাবে নিজেদের শক্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে, ধারণা বিশ্লেষকদের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে এবং অস্ত্রের মজুতেও চাপ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে শান্তি আলোচনা এখনও অচলাবস্থায় রয়েছে, ফলে পরিস্থিতিও অনিশ্চিত।

সূত্র: মিডলইস্ট আই