বুধবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১:২৪
শিরোনাম :
আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধে বিএনপি সরকারের রেকর্ড শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া আধুনিক বাংলাদেশের কারিগর: পানিসম্পদ মন্ত্রী আদর্শের টানে আঘাতের ক্ষত হাসিমুখে বয়ে বেড়ান বিএনপি কর্মী দেলোয়ার বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে অস্ত্রের মুখে ডাকাতি সাংবাদিক আকিবকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার-সম্মানহানির চেষ্টা, বিভিন্ন মহলের নিন্দা বরিশালে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত প্রতিশোধ নয়—ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সমাজ গড়তে চাই: রাষ্ট্রপতি চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে যানজট নিরসনে ঢাকার ৪ টার্মিনাল দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বরিশাল বিভাগীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

মার্কিন সেনাদের আশ্রয়দাতাদের প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। যে সমস্ত দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে নিজেদের মাটিতে ঘাঁটি গাড়ার সুযোগ করে দিয়েছে, তাদের সবাইকে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর ও উপযুক্ত জবাবের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি।

শনিবার (১৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে আই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। এই সতর্কবার্তার পাশাপাশি কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান সামরিক কেন্দ্রে একযোগে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে ওই সমস্ত দেশের সরকারকে অবিলম্বে তাদের নিজ নিজ দেশের সিভিল ডিফেন্স বা নাগরিক প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোকে সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু বা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর আশেপাশের এলাকা থেকে সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কঠোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ইরানের দাবি অনুযায়ী ওই সমস্ত দেশের ভূখণ্ডকে মূলত তেহরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসন ও যুদ্ধ পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র বা লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

বিবৃতিতে আইআরজিসির গ্রাউন্ড ফোর্সেস বা স্থলবাহিনী দাবি করেছে যে তারা কুয়েতে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম প্রধান সামরিক লজিস্টিক হাব ক্যাম্প আরিফজান লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও শক্তিশালী রকেট নিক্ষেপ করেছে। এই সফল বিমান হামলায় ক্যাম্প আরিফজানে মোতায়েন থাকা বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য হতাহত হয়েছেন বলেও ইরানের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে দাবি করা হয়েছে।

এই আক্রমণের পাশাপাশি কুয়েতের আলী আল সালেম মার্কিন বিমান ঘাঁটিতেও তেহরানের বিশেষ বাহিনী একযোগে জোরালো আঘাত হেনেছে। আইআরজিসি দাবি করেছে যে তাদের নিখুঁত হামলায় ওই বিমান ঘাঁটির প্রধান রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশাল অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার এবং একটি ড্রোন পরিচালনাকেন্দ্র বা ফেসিলিটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তেহরান নিশ্চিত করেছে।