রবিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ৪:৩৭
শিরোনাম :
আমরা নতুন শাসন ব্যবস্থা চাই,গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন চাই: জামায়াত আমির ডা.শফিকুর রহমান মার্কিন সেনাদের আশ্রয়দাতাদের প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান জাতি ‘অর্ধকানা’ হলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না: শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গুম-খুন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: ইরান গৌরনদীতে একসাথে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলাঃ দুই সাংবাদিককে আসামী করায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্বেগ সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

মার্কিন সেনাদের আশ্রয়দাতাদের প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। যে সমস্ত দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে নিজেদের মাটিতে ঘাঁটি গাড়ার সুযোগ করে দিয়েছে, তাদের সবাইকে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর ও উপযুক্ত জবাবের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি।

শনিবার (১৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে আই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। এই সতর্কবার্তার পাশাপাশি কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান সামরিক কেন্দ্রে একযোগে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে ওই সমস্ত দেশের সরকারকে অবিলম্বে তাদের নিজ নিজ দেশের সিভিল ডিফেন্স বা নাগরিক প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোকে সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু বা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর আশেপাশের এলাকা থেকে সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কঠোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

ইরানের দাবি অনুযায়ী ওই সমস্ত দেশের ভূখণ্ডকে মূলত তেহরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসন ও যুদ্ধ পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র বা লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

বিবৃতিতে আইআরজিসির গ্রাউন্ড ফোর্সেস বা স্থলবাহিনী দাবি করেছে যে তারা কুয়েতে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম প্রধান সামরিক লজিস্টিক হাব ক্যাম্প আরিফজান লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও শক্তিশালী রকেট নিক্ষেপ করেছে। এই সফল বিমান হামলায় ক্যাম্প আরিফজানে মোতায়েন থাকা বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য হতাহত হয়েছেন বলেও ইরানের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে দাবি করা হয়েছে।

এই আক্রমণের পাশাপাশি কুয়েতের আলী আল সালেম মার্কিন বিমান ঘাঁটিতেও তেহরানের বিশেষ বাহিনী একযোগে জোরালো আঘাত হেনেছে। আইআরজিসি দাবি করেছে যে তাদের নিখুঁত হামলায় ওই বিমান ঘাঁটির প্রধান রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশাল অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার এবং একটি ড্রোন পরিচালনাকেন্দ্র বা ফেসিলিটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তেহরান নিশ্চিত করেছে।