শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:৪৩
শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা

জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক ।। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য, জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) কলেজের হলরুম ‘এ’-তে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আলী নেছার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দিন হাওলাদার।

সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয় জীবনে এ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তারা বলেন, একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু জ্ঞান অর্জনের কেন্দ্র নয়, বরং দেশপ্রেম, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও জাতীয় চেতনা বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

আলোচনা সভায় কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনাকে ধারণ করে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।