সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:৪৯
শিরোনাম :
বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ

শতবর্ষী বৃদ্ধাকে রেলস্টেশনে ফেলে গেলো সন্তানরা

ডেক্সরিপোর্ট  রেলওয়ে স্টেশনে ফেলে যাওয়া শতবর্ষী বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ১৪/১৫ দিন আগে কনকনে শীতের মাঝে শতবর্ষী ওই বৃদ্ধাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনে ফেলে যায় তার পরিবারের লোকজন। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সালাউদ্দীন আহমদ জানান, রবিবার রাত ১০টার দিকে ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। এরপর তাকে চিকিৎসা দেওয়ার পর সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে তিনি কথা বলতে পারছেন এবং খাবার খেতে চাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত। তাবে তার কথা স্পষ্ট নয়।

উপজেলার রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ১৪/১৫ দিন আগে দুইজন লোক ভ্যানে করে ওই বৃদ্ধাকে নিয়ে এসে স্টেশনে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে আমি তাকে সেখান থেকে তুলে স্টেশনের পরিত্যক্ত ছাউনির নিচে খড় দিয়ে বিছানা করে থাকার ব্যবস্থা করে দেই। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনসহ কয়েকজন রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এদিকে অমানবিক এই ঘটনার খবর পেয়ে ওই বৃদ্ধার পাশে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি রহনপুর পৌরসভা তার চিকিৎসাসহ অন্যান্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

ওই বৃদ্ধাকে দেখভালের জন্য রহনপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে মালতি বেগম নামের এক নারীকে রাখা হয়েছে। মালতি বেগম বলেন, রাতে পুলিশ গিয়ে আমাকে ওই বৃদ্ধার দেখাশুনার কথা বলে নিয়ে আসে। পরে পৌরসভা আমাকে দায়িত্ব দেয়। ওই রাত থেকে তার পাশে আছি।