ডেক্সরিপোর্ট গত ডেঙ্গু মৌসুমে (আগস্ট-নভেম্বর) মশার ভয়াবহতা মানুষের মধ্যে যে ভয় ঢুকিয়েছিল, তা এখনো কাটেনি বলা যায়। এরই মধ্যে ফেনীতে বেড়ে গেছে মশার উপদ্রব। বাসাবাড়ি, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সর্বত্রই মশার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন।
আগামীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যর্থ হলে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বলেন, ‘ডেঙ্গু এখন মাত্র শুরু। এখনই পদক্ষেপ না নিলে, দিনে দিনে বাড়বে। করোনা মহামারির মধ্যে যেভাবে ডেঙ্গু বাড়ছে, পৌরসভা যদি এখনই উদ্যোগ নেয় তবে আমরা হয়তো ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পেতে পারি।’
পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, এবার করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে মসক নিধনসহ পৌর এলাকায় পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অব্যাহত আছে। গত বছর ফেনীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা না গেলেও আক্রান্ত হয়েছিল ৫৭৭ জন। চলতি বছর এ পর্যন্ত ফেনী জেলায় একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজি আলাউদ্দিন বলেন, মশা নিধনের কাজে আমরা ১৮টি ওয়ার্ডে প্রস্তুতি গ্রহন করেছি।প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে কাজ চলছে। সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা দেয়, তাহলে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত হবো। ফেনী পৌরসভা মেয়র হাজি আলাউদ্দিন বলেন, ‘মশক নিধন কার্যক্রম’ প্রতিটি ওয়ার্ডে চলছে। আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। সরকার আমাদের সহযোগীতা করলে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত হবো।’
এদিকে, ফেনী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা যতেষ্ট সজাগ।উতোমধ্যে আমরা একজন ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পয়েছি। আমাদের ডেঙ্গুর জন্য বিনামূল্য চিকিৎসার ব্যাবস্থা রয়েছে।