শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:১৮
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

গ্রাম পুলিশদেরকে ৬ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে সরকার

ডেক্সরিপোর্ট  বাংলাদেশের প্রায় ৪৬ হাজার গ্রাম পুলিশকে (দফাদার ও মহলদার) এককালীন ওই সহায়তা দিতে মোট ৬ কোটি টাকা বিশেষ অনুদান দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে সোমবার আদেশ জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

২০১৯-২০ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেট বরাদ্দ থেকে প্রত্যেক জেলার জন্য মঞ্জুর হওয়া অর্থ উত্তোলনের অনুমতিপত্রও জেলা প্রশাসকদের পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসকরা ওই অর্থ ট্রেজারি থেকে তুলে প্রত্যেক গ্রাম পুলিশকে সরাসরি এক হাজার তিনশ টাকা করে দেবেন।

এই খাতের টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না জানিয়ে আদেশে বলা হয়, “ছাড়কৃত অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট বিল প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন।”

গ্রাম পুলিশে প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে একজন করে দফাদার ও নয়জন করে মহলদার নিযুক্ত আছেন। তাদের মধ্যে দফাদাররা মাসে সাকুল্যে সাত হাজার টাকা এবং মহলদাররা ৬৫০০ টাকা বেতন পান।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর হাই কোর্ট দফাদারদের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৯তম গ্রেড এবং মহলদারদের ২০তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে এখনও তা বাস্তায়ন হয়নি।

গ্রাম পুলিশের চাকরি সরকারের রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় তাদের বেতনের অর্ধেক দেয় ইউনিয়ন পরিষদ আর বাকিটা দেওয়া হয় সরকারের কোষাগার থেকে।

ব্রিটিশ আমল থেকে এ বাহিনী বিভিন্ন আইনের অধীনে কাজ করে আসছে। সর্বশেষ স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

এ আইনের অধীনে ২০১৫ সালে গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলী সম্পর্কিত বিধিমালা তৈরি করা হলেও বিধিতে তাদের কোনো শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়নি।