শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

নারায়ণগঞ্জে সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পেল আরো ৭১ বন্দি

ডেক্সরিপোর্ট  নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে সাধারণ ক্ষমায় আরও ৭১ বন্দিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। সোমবার (১১ মে) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ।

এর আগে দুই দফায় ৫ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছিল বলে জানান জেল সুপার। তিনি জানান, মুক্তি পাওয়া বন্দিদের মধ্যে তিন মাস থেকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি রয়েছে। তারা কেউই দাগী আসামি ছিলেন না।

সুভাষ কুমার ঘোষ আরও জানান, করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের নেয়া সিদ্ধান্তে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে ২ শ’ কয়েদির তালিকা কারা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। যা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ঘুরে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭৬ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত শনিবার ৭১ জনকে মুক্তি দেয়া হয়। এর আগে প্রথমে ২ জন ও দ্বিতীয় ধাপে ৩ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছিল।

মুক্তি প্রসঙ্গে জেল সুপার জানান, এখন পর্যন্ত জেলা কারাগারে কোনো বন্দি কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি। কারাগারে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে। নতুন কয়েদিদের জন্য আলাদা আবাসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে ৩ শ’ জন বন্দি ধারণ ক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ১ হাজার ৭ শ’ বন্দি রয়েছেন। তাদের পর্যবেক্ষণে কারারক্ষী ও হাবিলদারসহ রয়েছেন ১ শ’ ৫০ জন। করোনা ঝুঁকি এড়াতে কয়েদি ও বিভিন্ন মামলার আসামিদের সঙ্গে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সাক্ষাত অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে জরুরি প্রয়োজনে কারাগারের ভেতরে ও বাইরে ১০টি টেলিফোনের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে বন্দিরা তাদের পরিবারে স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারেন।