বুধবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৩৭
শিরোনাম :
সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল!

শেবাচিমের করোনা ইউনিট থেকে পালালো রোগী

ডেক্সরিপোর্ট  বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আইসোলেশনে থাকা করোনা আক্রান্ত মালেক (৬০) নামে এক রোগী পালিয়ে গেছেন।

শনিবার দুপুরের দিকে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিট থেকে পালিয়ে যান তিনি। পালিয়ে যাওয়া করোনা পজিটিভ রোগী ভোলার ২ নং দৌলতখানের কনাকোপা গ্রামের মহিনউদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিয়েছে।

শনিবার দুপুরে আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে ওই রোগী পালিয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতালের কর্মরত পুলিশ ক্যাম্পের ইনর্চাজ নাজমুল হুদা।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ড থেকে রোগী পালানোর সংখ্যা ৪ জন হয়েছে।

হাসপাতাল পরিচালক জানান, ‘গত ২১ মে করোনা উপসর্গ নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন আব্দুল মালেক। ওই দিনই তার নমুনা পরীক্ষার জন্য শেবামেক’র আরটি-পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়।

সবশেষ ২২ মে রাতে পিসিআর ল্যাব থেকে দেয়া রিপোর্টে বৃদ্ধ মালেকের করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আসে। রাতেই করোনা ওয়ার্ডে দায়িত্বরতরা বিষয়টি ওই বৃদ্ধকে অবহিত করেন।

পরিচালক বলেন, দুপুরের দিকে ওই রোগীকে করোনা ওয়ার্ডে তার শয্যা পাশে ওষুধ নিয়ে খুঁজতে যান দায়িত্বরতরা। তখন থেকেই তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ভর্তি রেজিস্ট্রারে থাকা রোগীর নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাই তাৎক্ষনিকভাবে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান ডা. বাকির হোসেন।

এদিকে শুরু থেকেই শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নামেমাত্র নিরাপত্তার কথা বললেও বাস্তবে তার কিছুই নেয়।