শুক্রবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:২১
শিরোনাম :
বিরোধী দলের এলাকাতেও সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সড়কের ইট বন্ধ হচ্ছে সংকটে থাকা ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমানতকারী পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা বরিশালে ৩ দিন ব্যাপী সাংগঠনিক উন্নয়ন ও ব্যাবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু ইসরায়েলের‘রামাত ডেভিড’বিমানঘাঁটিতে ইরানের ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা অস্থায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্সের বিশেষ বিধান বাতিলের দাবি বাকেরগঞ্জের চরামদ্দিতে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ: কার্যালয় মোটরসাইকেলে আগুন বাকেরগঞ্জের চরাদীতে ৪ শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসাপত্র প্রদান লেনদেন বন্ধ রাখলো গ্রাহকরা, বরিশাল ইসলামী ব্যাংকে এক ঘন্টা কলম বিরতি

দেশে করোনা ভাইরাসের তীব্রতা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ কমে গেছে: ড. বিজন

ডেক্সরিপোর্ট  বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের তীব্রতা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ কমে গেছে। এখানে ইমিউন সিস্টেমসহ কিছু বিষয় কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা শনাক্তকরণ কিট উদ্ভাবক দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

তিনি বলেছেন, আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে তারা যে আক্রান্ত হয়তো তারা জানেন না। হয়তো সামান্য জ্বর হয়েছে, কাশি হয়েছে, দুর্বলতা অনুভব করেছেন।

শনিবার (৩০ মে) রাতে একটি সংবাদমাধ্যমের ফেসবুক লাইভে তিনি এ কথা বলেন।

ইউরোপ-আমেরিকাকে নাস্তানাবুদ করা করোনা হিসাব মেলালে বাংলাদেশে সেই আকারে দেখা যাচ্ছে না এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে ড. বিজন কুমার বলেন, ইউরোপসহ উন্নত বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। ইউরোপের মানুষের ইমিউন ব্যবস্থা ‘স্ল্যাগিশ’।

তিনি বলেন, দেশে এরই মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়ে গেছেন। তবে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস যদি জানুয়ারিতে আসত তাহলে এর তীব্রতা আরও বেশি হতো। মার্চে যেহেতু এসেছে, সে কারণে এখানে এর তীব্রতা কম দেখা যাচ্ছে।

বিজন কুমার শীল আরও বলেন, হার্ড ইউমিনিটিতে পৌঁছাতে হলে ৮০ ভাগ মানুষকে আক্রান্ত হতে হবে। যা আগামী এক মাসের মধ্যে ঘটতে পারে বলে আমি মনে করি। হার্ড ইমিউনিটি হচ্ছে এক ধরনের ‘কমিউনিটি ইমিউনিটি’, যখন সমাজের অনেক বেশি জনগোষ্ঠীর মাঝে কোনো সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। ফলে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই কিংবা দুর্বল, তাদেরও ওই রোগ হতে পরোক্ষভাবে সুরক্ষা দেয়া যায়।

করোনা যেহেতু ছড়িয়েছে, সেহেতু আমরা যতই ঘরে লুকিয়ে থাকি, কাউকেই ছাড়বে না। ঝড় হলে যেমন প্রত্যেক গাছকেই টাচ করে যায়, করোনাও আমাদের প্রত্যেককে আক্রান্ত করবে। এক্ষেত্রে যাদের বয়স বেশি, অন্য অসুস্থতা আছে, তাদের ঝুঁকি বেশি। যারা শক্ত-পোক্ত, মনোবল দৃঢ়, তাদের ভয় কম।