বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:২১
শিরোনাম :
বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর

বরিশালে শিক্ষকের ধর্ষণে স্বাস্থ্যকর্মী অন্তঃসত্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক  প্রথম স্ত্রী ও দুই সন্তানের কথা গোপন করে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক ও পরে বিয়ের প্রলোভনে এক স্বাস্থ্যকর্মীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন কলেজ শিক্ষক শহিদুল ইসলাম। এতে ওই স্বাস্থ্যকর্মী অন্তঃসত্তা হয়ে পরলে জোরপূর্বক তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়।
এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মাছুয়াখালি এলাকার। অতিসম্প্রতি ওই শিক্ষক পুরো সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করায় ভূক্তভোগি স্বাস্থ্যকর্মী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

শনিবার সকালে মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, মাছুয়াখালি কমিউনিটি ক্লিনিকের ওই স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মোঃ সহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সুবাদে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে শিক্ষক তার নিজের প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের কথা গোপন করে ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ধর্ষণের একপর্যায়ে ওই স্বাস্থ্যকর্মী অন্তঃসত্তা হয়ে পরলে বিয়ের জন্য শিক্ষককে চাঁপ প্রয়োগ করেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষক কৌশলে স্বাস্থ্যকর্মীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলেন। এ ঘটনার কিছুদিন পরে শিক্ষক তাদের প্রেমের সম্পর্কের পুরো বিষয়টি অস্বীকার করায় উপায়অন্তুর না পেয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভূক্তভোগি স্বাস্থ্যকর্মী বাদি হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ওসি জানান, মামলা দায়েরের পর আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।