শামীম আহমেদ বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী নীলখোলা নামক স্থানে নির্মাণাধীন হাসপাতাল ভবনে আগুন লেগেছে। মঙ্গলবার রাতে ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষরা আগুন দিয়েছে বলে মালিকপক্ষের অভিযোগ। গৌরনদী ও উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এবং স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ বুধবার বেলা তিনটায় এখন পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের জেলার গৌরনদীর টরকী নীলখোলা নামক স্থানে ৫ হাজার বর্গফুট একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের জন্য গত বছর কাজ শুরু করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী মনিরুজ্জামান মনির ও তাঁর সহোদর খোকন মুন্সী। নির্মাণাধীন ভবনের দুই তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ভবনের নিচতলায় পান বরজের ঝাঁটি রাখেন ভবনের মালিক।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত তিনটার দিকে ভবনের চারদিক থেকে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। সবার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যর্থ হন। গৌরনদী ও উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে রাত সাড়ে ৩টায় তারা এসে আগুন নেভানো শুরু করে। কিন্তু ১২ ঘণ্টার চেষ্টাতেও আগুন নেভেনি।
নির্মাণাধীন হাসপাতালের মালিক খোকন মুন্সী বলেন, নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলায় তাঁরা ব্যবসায়ী সামগ্রী পান বরজের ঝাঁটি স্তূপ করে রাখেন। রাত ৩টার দিকে শত্র“তাবশত অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ঝাঁটির স্তূপে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মুহুর্তের মধ্যে আগুন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
খোকন মুন্সী অভিযোগ করেন, তাঁদের ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষরা শত্র“তা করে পরিকল্পিতভাবে এ আগুন দিয়েছে। আগুনে ভবনটি পুড়ে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. ফারুক হোসেন বেলা তিনটার দিকে বলেন, আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এব্যাপারে গৌরনদী মডেল থানায় যোগাযোগ করা হলে দায়ীত্ব ইন্সেপ্রেক্টর তৌহিদুজ্জামান বলেন আমারা রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অবস্থান করেছি।
আমাদের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হবে তারপরও তাদেরকে বলা হয়েছে আপনারা কোন অভিযোগ দিলে থানার পক্ষ থেকে তদন্ত করা হবে।