সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:১৮
শিরোনাম :
বিসিসি নির্বাচনে মাঠে তৎপর এনসিপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শিকদার! কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: এড.আতিকুর রহমান গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন ১০ নেতাকর্মী! চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা এক কনস্টেবলে অতিষ্ঠ শেবাচিম হাসপাতাল ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

আল্লামা শফীর মৃত্যু পরিস্থিতির বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

ডেক্সরিপোর্ট  হেফাজতে ইসলামের আমির ও দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার সাবেক মহাপরিচালক আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুকে অস্বাভাবিক আখ্যা দিয়ে এর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সভাপতি আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

এ সময় আল্লামা শফীর ইন্তেকালের আগের দু’দিন হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র বিক্ষোভকে বহিরাগত উসকানি আখ্যায়িত করে এটিরও বিচারের দাবি জানান তিনি।

মুফতি ওয়াক্কাস বলেন, আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই আল্লামা আহমদ শফী সাহেবের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। কোনো সন্দেহ নেই এর মধ্যে আমার। একটি শক্তি হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। যার পরিণতিতে আহমদ শফী সাহেবের নির্মম মৃত্যু হয়েছে। যেটা বলব- অস্বাভাবিক মৃত্যু, স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না।

পুরো বিষয়টির বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে মুফতি ওয়াক্কাস বলেন, যদি এটি বিনা বিচারে ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে পুরো কওমি অঙ্গনে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে। আল্লামা শফীর এমন নির্মম মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। এর জন্য আমি বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাই।

ছাত্র জমিয়তের সহ সভাপতি হাফেজ শাব্বির আহমদ রাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা শহীদুল ইসলাম আনসারী, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল হক কাউসারী, মুফতি জাকির হোসাইন খান, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মুফতি রেজাউল করীম, মাওলানা বেলায়েত ফিরোজী, মুফতি রেদওয়ানুল বারী সিরাজী, মাওলানা আবু বকর সরকার, মাওলানা আব্দুস সালাম, মুফতি কামরুজ্জামান কাসেমী, মুফতি মুশতাক ফোরকানী, মাওলানা হাসান আল মামুন প্রমুখ।

কাউন্সিলে সুহাইল আহমদকে সভাপতি , নিজাম উদ্দিন আল আদনানকে সাধারণ সম্পাদক ও সাজ্জাদ আহমদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।