বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:০৯
শিরোনাম :
জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ‘পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তরে সেলিম, দক্ষিণে সাদিককে মেয়রপ্রার্থী করল জামায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মামা খোকন আটক ১ মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার পুলিশ আসার খবরে ভবনের ছাদ থেকে লাফ, ওয়ার্ড আ’লীগ নেতার মৃত্যু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সভাপতি: মামুন-অর-রশিদ, সম্পাদক: আরিফুর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক : রহমাতুল্লাহ অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

সৌদিতে স্বাধীনভাবে চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন প্রবাসীরা

অনলাইন ডেস্ক  শ্রম আইনে ঐতিহাসিক সংস্কার এনেছে সৌদি আরব সরকার। এর ফলে এখন থেকে দেশটিতে বেসরকারি খাতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকরা নিজেদের কাজের গতিশীলতা উন্নতকরণ, ইচ্ছে মতো প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন এবং মালিকদের অনুমতি ছাড়াই দেশ ত্যাগ করতে পারবেন। আজ রবিবার (১৪ মার্চ) থেকে নতুন এ আইনটি কার্যকর হয়েছে।

আরব নিউজ জানিয়েছে, আকর্ষণীয় জব মার্কেট গড়ে তুলতে সৌদি সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ বিষয়ক ‘কাফালা’ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন এ আইনে প্রবাসী শ্রমিকদের সরাসরি সরকারি চাকরিতে আবেদন করারও অনুমতি দেবে।

সৌদি সরকারের শ্রম সংস্কার উদ্যোগের (এলআরআই) মধ্য দিয়ে দেশটিতে কর্মরত অন্তত ১ কোটি প্রবাসী শ্রমিক সুবিধা পাবেন এবং একটি প্রতিযোগিতামূলক ও নায্য কাজের পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, সৌদি সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সেখানে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকরা। তারা এটিকে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বৃহত্তর সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

দেশটিতে বিগত পাঁচ বছর ধরে বসবাস করা ভারতীয় নাগরিক ইমরোজ আবদুল রহমান বলেন, সৌদিতে আসার পর থেকে এটিই এখন পর্যন্ত সেরা অর্জন।

তিনি বলেন, চার বছর আগে পুরনো প্রতিষ্ঠান ছাড়ার মুহূর্তে এবং নতুন একটি কোম্পানিতে যুক্ত হওয়ার সময় প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল এবং কষ্টসাধ্য ছিল। সমস্যাটি সমাধান করতে প্রায় এক মাস লেগে যায়।

এ বিষয়ে সৌদি আরবের তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা বায়ত আল-এদারাহর চেয়ারম্যান আবদুলঘনি আল- আনসারী বলেন, নতুন শ্রম সংস্কার আইন বেসরকারি সেক্টর বিশেষত ছোট ও মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।