বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৪০
শিরোনাম :
বিএনপি-যুবলীগ সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০ জোরপূর্বক সালিসের চেষ্টা:কাউনিয়া থানার ওসির নামে অভিযোগ দায়ের আগামী বাজেটে করের আওতায় আসছে মোটরসাইকেল বাংলাদেশের উন্নয়নে এনজিওদের ভূমিকা,গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা বিষয়ক মতবিনিময় সভা ইসরায়েলের আয়রন ডোম ব্যবহার করে ইরানের মিসাইল ভূপাতিত করেছে আমিরাত বরিশালে পার্টনারস ফর প্রসপারিটি প্রোগ্রামের আওতায় স্থানীয় সংগঠনের মাঝে চেক হস্তান্তর চার সপ্তাহের মধ‍্যে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: বরিশালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন, জীবন বদলে দিন গ্লোবাল অ্যাকশন সপ্তাহে আলোচনা সভা ইউরেনিয়াম দখল না করা পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামি

বাংলাদেশের একটি মানুষও ক্ষুধার্ত থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা চাই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে উঠুক। বাংলাদেশের একটি মানুষও ক্ষুধার্ত থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না, প্রতিটি মানুষের ঘরে আমরা আলো জ্বালাবো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানসহ সব দিকে বাংলাদেশের মানুষ যেন উন্নত, সমৃদ্ধ জীবন পায়, যেটা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল, যা তিনি সব সময়ই বলতেন। আসুন, জাতির পিতার এই ১০১তম জন্মদিন আর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা সেই প্রতিজ্ঞা নিই, জাতির পিতা যেই স্বপ্ন রেখে গেছেন, সেই স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করবো। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

‘মুজিব চিরন্তন’প্রতিপাদ্যে ১০ দিনের যে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন বাংলাদেশ করেছে, তাতে শুক্রবারের অনুষ্ঠানের থিম ছিল ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা’। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হতে পেরেছি। কাজেই এই বাংলাদেশে আজ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা সরকারে থেকে উদযাপন করার সুযোগটা পেয়েছি বাংলাদেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলাম বলে। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

যে বিদেশি অতিথিরা বাংলাদেশের ১০ দিনের এই আয়োজনে যোগ দিয়েছেন, তাদেরও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে বন্ধুপ্রতীম শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে আমাদের মধ্যে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন। আমাদের এই অনুষ্ঠানকে তিনি মহিমান্বিত করেছেন।’

শ্রীলঙ্কাকে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা বিভিন্ন আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে একই ধরনের মনোভাব পোষণ করে এবং দুই দেশ পরস্পরকে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে বাংলাদেশের একজন অকৃত্রিম বন্ধু এবং তিনি সবসময়ই বাংলাদেশের পাশে অবস্থান করেন। আমিও চেষ্টা করি সেই বন্ধুত্বের প্রতিদান দিতে।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকার এবং বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে এবং তার দেশের জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের জনগণের এই বন্ধুত্বের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় হবে।