সোমবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১:২৯
শিরোনাম :
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব অটো চালক নাজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ, মুল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার চায় এলাকাবাসী সততার কারণে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বছরে দুই বার বদলি বিআরটিসির কর্মকর্তা জামিল! হামলা হলে ৭ দেশের এআই ও তেল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেবে ইরান সৌদির বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা ১৩৫ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২০ হাজার ৬৭২ যাত্রী বঙ্গবন্ধুর ম‍্যুরালে ফুল না দেয়া ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার অপরাধে বলি বিআরটিসির কর্মকর্তা নূর-ই-আলম বিএমপি’র পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বশিরকে নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি!

দাম বেশি হলেও হাতীবান্ধায় জমতে শুরু করেছে কোরবানীর পশুর হাট

কাজী শাহ্ আলম,হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃ দিন যতই ঘনিয়ে আসছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় কোরবানীর পশুর হাট গুলো তথই জমে উঠেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভারতীয় পশুর আমদানী নেই। তাই পশুর দাম একটু বেশি বলে ক্রেতাদের ধারনা।

সরজমিনে উপজেলার হাতীবান্ধাহাট, বড়খাতা ও দইখাওয়া প্রধান ৩টি পশুর হাট ঘুড়ে জানা গেছে, পশু আমদানী কম, দাম বেশি হলেও ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে পশুর হাট। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভারতীয় পশুর আমদানী নেই। উপজেলার সর্বত্র হাটে দেশি পশু (গরু, ছাগল) আমদানী হচ্ছে। চোঁখে পরেনি কোন ভারতীয় গরু। ক্রেতাদের ধারনা হাতীবান্ধা উপজেলার কোন সিমান্ত দিয়ে এবারে ভারতীয় গরু চোরাচালনে আসছে না, তাই গরুর দাম একটু বেশি।

অপরদিকে গরু খামারি তছির উদ্দিন বলেন, গত বছর সিমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু পাচার হয়ে আশায় আমরা গরু খামারীরা লাখ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। এবারে গরুর দাম একটু বেশি হওয়ার কারনে গত বছরের ক্ষতি এবারে পুষিয়ে নিতে পারবো বলে আশা করছি।

হাতীবান্ধা সদর হাটে ক্রেতা আবুল হোসেন ও হাসমত আলীর সাথে কথা বলে জানাগেছে, এবারে শুধুমাত্র দেশী পশু আমদানী হচ্ছে। এজন্য ক্রেতাদের অনেকেরই পছন্দ মতো পশু মিলছে না এবং গত বছরের তুলনায় দামেও বেশি। অপর দিকে এখনও সময় আছে কোরবানীর পশু কেনার তাই ক্রেতারা শুধু পছন্দমত পশুর খোঁজ খবর রাখছে।

এসময় গরু ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক ও নজরুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য বছরে দেশী বিদেশী পশু আমদানী হওয়ায় ক্রেতাগণ নিজেদের পছন্দনীয় পশু ক্রয়ে কোন রুপ অনিহা প্রকাশ করেনি। কিন্তু এবার ভিন্ন , দেশীয় পশু পরিমাপে ছোট এবং দামেও বেশী এ কারনে ক্রেতাদের ভীড় জমে উঠলেও ক্রয়-বিক্রয় খুবই কম হচ্ছে। কোরবানী করার ইচ্ছা সামর্থ থাকলেও অনেকেই পশু দেখে মুখ ফিরে নিচ্ছে। তাদের ধারনা এখনও পশু কেনার সময় আছে। আমদানী বাড়লে এলাকার ৭০ ভাগ মানুষ কোরবানী করতে পারে বলে আশা করছি।