মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:১১
শিরোনাম :
সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী কেদারপুরের ইউপি চেয়ারম্যান ও ফ্যাসিস্ট আ’লীগ নেতা নুর আলম বেপারী গ্রেপ্তার দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি, কোটি কোটি টাকা লোপাট

বরিশালে লকডাউনের দ্বিতীয় দিন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

শামীম আহমেদ  বরিশালে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনের নগরীর গ্রিজ্জামহল্লা মোবাইল ব্যবসায়ীরা লগডাউন প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে। এছাড়া নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টারমিণাল থেকে দুরপাল্লা ও অভ্যন্তরীন রুটের যাত্রীবাহি বাস চলাচল বন্ধ লঞ্চ চলচলচ করছেনা। অপরদিকে নামী বিপনিবিতানগুলো বন্ধ থাকলেও নগরীর চক বাজারের ব্যবসায়ীরা কেউবা চুপিসারে দোকান খুলে বিকিকিনি করছে। দুপুর পৌঁনে বারোটার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হলে চকবাজারের কতিপয় দোকানী জড়ো হয়ে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে উল্টো ক্ষোভ প্রকাশ করে।

মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে নগরীর গীর্জা মহলা ব্যাবসায়ী মালিক সমিতি ও মোবাইল মালিক সমিতির সদস্যরা দোকানপাট খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

এসময় প্রায় একঘন্টাব্যাপী রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ তারা । পরে মিছিল নিয়ে সদররোড অতিক্রমকালে পুলিশ এসে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে আন্দোলন থেকে ঘরে ফেরার নির্দেশ দেন। এরপর তারা আন্দোলন স্থগিত করেন।

বাংলাদেশ মোবাইল এ্যাসোশিয়েশন মালিক’ সংগঠনের বরিশাল বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক শহিদ বলেন, আমরা সরকারী নিয়ম মানি। তবে আমাদের পেটের কথা চিন্তা করে একটু সুযোগ চাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন গত বছর লকডাউনে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। সামনে রমজান মাস। ব্যবসা করার মৌসুম। এসময় দোকানপাট বন্ধ থাকলে তারা বড় ক্ষতির মুখে পড়বেন। এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করার দাবিও জানান তারা।

প্রশাসন জানিয়েছেন সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে হবে। দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার কোনো সুযোগ নেই।

অন্যদিকে সকালের দিকে নগরীর পোর্ট রোডের মৎস্য আড়তে ব্যবসায়ী ও কতিপয় ক্রেতার মুখে মাক্স থাকলে তা সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে দেয়া যায়নি।

এছাড়া এখানে দুরুত্বে ছিল না কোন স্বাস্থবিধির নিয়ম কানুন। যে যার মত করে মাছ বেচা-বিক্রি করছেন। সেখানে একজনের উপরে তিন চারজন হুমড়ি খেয়ে পড়তে দেখা যায়।

দুপুরের জেলা প্রশাসকের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী সুজা বলেন, সরকার নির্দেশিত লকডউন যথার্থভাবে মানতে তারা মোবাইল কোর্ট করছেন। যাতে করে কনোর অতিমারী থেকে মানুষ মুক্তি পেতে পারে। যেখানে এর ব্যতয় ঘটছে সেখানেই তারা জরিমানা করছেন।

এদিকে শ্রমজীবী মানুষেরা বলেন, করোনায় এমনিতেই তাদের আয় কমেগেছে, তার উপরে লকডাউনে তাদের পুরোটাই বেকার হয়ে বসে থাকতে হচ্ছে।

অন্যদিকে স্বাস্থ অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য শহরে মাইকিং করা হলেও নিত্য আয়ের মানুষের পায়ের গতি আটকে রাখতে পারছে প্রশাসন।