বৃহস্পতিবার, ৬ই মে, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৩৫
শিরোনাম :
ঈদুল আজহা সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পরও গুলির আঘাতে ভুগছেন জিয়াউদ্দিন সিকদার, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায়! বরিশালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক দুমকিতে শ্রী-শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ১০১ সদস্যের প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন বরিশালে মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিক সংস্থার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী-দাবদাহের শঙ্কা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পেলেন ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মে দিবসে জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে ভোলার শশীভূষণে বসেছে হাট, কয়েক হাজারো মানুষের সমাগম!

কামরুজ্জামান শাহীন,ভোলা  করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ভোলার শশীভূষণ সদর বাজারে হাট বসেছে। হাটে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হয়েছে। সেখানে মানা হচ্ছে না কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধি।

রবিবার (৪ জুলাই) দিনব্যাপী চলা জেলার অন্যতম বৃহৎ এ হাটে কয়েক হাজার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরের পর থেকেই হাজারেরও বেশি গরু-ছাগল উঠেছিল পশুরহাটে। এখানে গাদাগাদি করেই ক্রেতা-বিক্রেতার অবস্থান ছিল। অধিকাংশ মানুষের মুখে ছিল না মাস্ক। ভিড় ছিল তরকারি, মাছ-মাংস ও হাসঁ, মুরগী বাজারগুলোতেও। ফলে দোকানপাট বন্ধ থাকা বাজার ব্যবসায়ীসহ সাধারণ লোকের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানতে চাইলে অধিকাংশরাই ক্রেতা-বিক্রেতা বলেন, কি আর করার সামনে ঈদ বাজারে গরু-ছাগল বিক্রি ও ক্রয়ের জন্য এসেছি। আসাদ নামের এক কৃষক বলেন, সারা বছর গরু লালন-পালন করেছি কোরবানের ঈদে বিক্রি করে বাড়তি আয়ের জন্য তাও যদি না পাড়ি তবে সংসার চলবে কি করে। মোগো সংসার চলে কৃষিকাজ ও গরু-ছাগল লালন-পালন করে।

ফারুখ নামের এক যুবকের সাথে কথা হয় তিনি জানান, সকাল থেকে বৃষ্টিও ছিল। দুপুরের পর বৃষ্টি কমলে হাটে গিয়ে দেখি ব্যাপক সমাগম। তা প্রায় ৪/৫ হাজারের মত মানুষ। তাই হাটে গিয়ে বাজার-সদাই করেছি। তবে ভয় লেগেছে একটাই, আমাদের মুখে মাস্ক থাকলেও হাটে আসা প্রায় ৯০ ভাগ মানুষের মুখে কোনো মাস্ক ছিল না।

স্থানীয় বাজার একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, বাজারে বসানো কোরবানীর পশুরহাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ কোরবানীর পশু নিয়ে এ হাটে আসেন। হাটে আগত পশু ক্রেতা বা বিক্রেতাদের অনেকেই স্বাস্থ্য বিধি মানার কোন বালাই ছিল না। ফলে দোকানপাট বন্ধ থাকা বাজার ব্যবসায়ীসহ সাধারণ লোকের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় শশীভূষণ বাজার ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করেন।
এ ব্যাপারে শশীভূষণ পশুরহাটের ইজারাদার মোঃ কামাল হোসেন জানান, গরুর হাট বসা না বসার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়নি। পশুর হাট বসেছে।

তবে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, হাটে কোন বিধি-নিষেধ আছে কি না জানা নাই। তবে এ অঞ্চলের মানুষ এখনো সচেতন না গরু-ছাগল নিয়ে আসতে পারে।

এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে হাট বসানো যাবে না। সবাইকে সচেতন করতে আমাদের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে কেন এমন হলো আমি খবর নিচ্ছি।