শুক্রবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ১:১১
শিরোনাম :
হাফপ্যান্ট আর হুডি পরে নেতানিয়াহুর সাথে মার্কিন সিনেটরের বৈঠক চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বরিশালের নবাগত জেলা রেজিস্ট্রারকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ যুবলীগ নেতা,নতুন পরিচয়ে ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: তথ্যমন্ত্রী আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব

আমার শেষ নিশ্বাসের আগেও যেন এক টাকা হারাম খেতে না হয়: নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন

নড়াইল প্রতিনিধি:নড়াইলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার), বলেছেন, আমার শেষ নিশ্বাসের আগেও যেন এক টাকা হারাম খেতে না হয় আল্লাহর কাছে এটাই চাওয়া! বেঁচে থাকার জন্য টাকা দরকার আছে, তবে আমার এক টাকাও হারাম কিংবা অবৈধ টাকার দরকার নেই। আমার শেষ নিশ্বাসের আগেও যেন এক টাকা হারাম খেতে না হয় আল্লাহর কাছে এটাই চাওয়া।

তিনি এর আগে ঢাকায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। গরিব অসহায় মানুষের পাশে আইনি সহায়তাসহ, নড়াইলের গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে সাহায্যের হাত বাড়ীয়ে দেন। তিনি ছুটিতে বাড়ী গেলে তার এলাকার সবার খোঁজ খবর নেন এবং যারা সহযোগিতার জন্য আসেন তাদের পাশে দাঁড়ান। নিজ কর্ম এলাকায় ও তিনি একজন পরোপকারী ও সৎ-মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত।

বিশেষ করে এতিমদের প্রতি উনি সদা সর্বদা সুনজর দিয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসেন। নিজেও সমাজের বিত্তশালীদের ও সম্পৃক্ত করেন গরিব অসহায়দের সাহায্যার্থে। নড়াইলে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে। যোগ্যতার ভিত্তিতেই ৩ টাকা মূল্যের একটি ফরম ও ১০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট করেই সোনার হরিণের মতো। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান,

এদিকে নড়াইল জেলায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে সততা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে দালাল ও ঘুষ ছাড়াই প্রকৃত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিরাই পুলিশে চাকরি দিয়েছেন। আপরদিকে নড়াইল জেলায় প্রায় এক হাজার পুলিশ এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে কাজ করেছে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে নড়াইল জেলা পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

ইতোমধ্যে ফেসবুকে গুজব সৃষ্টিকারী ব্যক্তিদের কে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। নড়াইল পুলিশের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা যে সমস্ত কল্যাণকর আবেদন করে থাকেন সেগুলিও খুব গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা হবে। মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসমুক্ত নড়াইল গড়ার প্রত্যয়ে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানায়। এছাড়াও নড়াইলে পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেডে সালাম গ্রহণ ও পরিদর্শন শেষে ফোর্সদের উদ্দেশ্যে বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু এ কথা পুঁথিতে নয় কাজেই প্রমাণ করতে হবে। ভালো কাজে পুরস্কার, খারাপ কাজে তিরস্কার-এ মর্মবাণী পুলিশের প্রতিটি কার্যক্রমে বহাল থাকবে। সেই সাথে যারা উক্ত অনুষ্ঠানে ভালো পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করে অংশগ্রহণ করেন তাদেরকে পুরস্কৃত করেন।

এছাড়াও যারা ইয়বার সাথে জড়িত তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। সকলকে, ইয়বা, জঙ্গি, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে একযোগে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। সকল প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে সকলকে কঠোর নজরদারি রাখার জন্যও নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশ ক্ষমতার বলে কাউকে কোনো প্রকার হয়রানি না করে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে, নড়াইলে বিভিন্ন এলাকার তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে। এলাকায় অনেকবার দাঙ্গা-হাঙ্গামা হয়েছে।

সবশেষ ওই এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রক্ষার্থে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার) দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের নিয়ে এ সমাবেশ করেন। সমাবেশ চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান বিরোধ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। পরবর্তীতে সমাবেশেই তিনি দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা তৈরি করে দেন।

এছাড়াও উভয়পক্ষ এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলার সাথে বসবাস করবে মর্মে পুলিশ সুপারের নিকট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। এতে করে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ পরিলক্ষিত হয়। দাঙ্গা নিরসনের পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার) মাদক ও জঙ্গির বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হওয়ার জন্য তিনি উদাত্ত আহ্বান জানান। তার এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় জনগণ মাদক ও জঙ্গি থেকে দূরে থাকার অঙ্গীকার করেন। এলাকাবাসীর মধ্যে মাদকের ক্ষতিকর কুফল ও এর শাস্তির বিধানসমূহ তুলে ধরেন।

সমাবেশ চলাকালে প্রধান অতিথি নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার) তাঁর বক্তব্যে বলেন, দাঙ্গা-হাঙ্গামা কোনো সভ্য সমাজের অংশ হতে পারে না। এগুলো সামাজিক অপরাধ। সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করলে নড়াইল জেলা অচিরেই শান্তিপূর্ণ জেলার খেতাব পাবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। পুলিশ সুপারের এই মতকে সাধুবাদ জানিয়ে এলাকাবাসী দাঙ্গা, মাদক ও জঙ্গি থেকে দূরে থাকার শপথ পাঠ করেন।