শামীম আহমেদ বরিশার নগরীর পুলিশ লাইন্সের সামনের সড়কে টাকা চাইতে গিয়ে ব্যবসায়ী শামীম মুন্সির বুকে ছুরিকাঘাত করেছে ভবঘুড়ে জলিল। আহত ব্যবসায়ীকে শামীম মুন্সিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শেরেবাংরা মেডিকেলের সার্জারী ওয়ার্ডে ভর্তি করেছে। আর জলিলকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। জলিল নগরীর মীরাবাড়ি পুল এলাকার বাসিন্দা। বুধবার সকাল দশটায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যবসায়ীর বড় ভাই মো. নুরুজ্জামান বলেন সকালে তার ভাই কাজীপাড়ার বাসা থেকে মোটরসাইকেলযোগে ব্যবসায়ীক কাজে বের হয়। পথিমধ্যে জলির নামক ওই ব্যক্তি পুলিশ লাইন্সের সামনে এলে মটরসাইকেল থামিয়ে সাহায্যের জন্য টাকা চায়। এসময় ব্যবসায়ী শামিম মুন্সি টাকা বের করতে গেলে হঠাৎ করে বুকের ডান পশে ছুরিকাঘাত করে। চিকিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে শেরেবাংলা মেডিকেলে পাঠায়। সেখানে সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত মো. লোকমান হোসন জানান, সকালে পুলিশ লাইন্স রোড থেকে মটর সাইকেলে যাওযার পথে জলিল হাওলাদার তার পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয়। এসময় স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় পুলিশ জলিলকে আটক করে এবং আহত হওয়া শামীম মুন্সিকে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। তার চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত জলিলের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে তার মানষিক কোন সমস্যা রয়েছে। তিনি নিজেকে মেজর জলিল বলেও পরিচয় দিচ্ছে। তারপরও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
আহতের ভাই সাবেক সেনা সার্জেন্ট সদস্য পারভেজ জানায়, সকালে মটর সাইকেল যোগে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নগরের ত্রিশ গোডাউন এলাকায় যাবার সময় নগরের পুলিশ লাইন্সের সামনে পৌছালে অজ্ঞাত এক ব্যাক্তি তার গতিরোধ করে। পরে আকস্মিকভাবে শামীমের পেটে ছুরিকাঘাত করে ঐ ব্যাক্তি। তাৎক্ষণিকভাবে পাশের পুলিশ লাইন্সের সদস্যরা হামলাকারীকে আটক করে কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করে। এঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করবেন বলে জানান।
এনিয়ে কোতোয়ালী থানার ওসি আজিমুল করিম বলেন, তারা ভবঘুড়ে ধরণের চল্লিশোর্ধ ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অসংলগ্ন কথা পাচ্ছেন। তবে ঘটনায় মামলা হবে বলে জানান তিনি।